ঢাকা | সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ - ৬:০১ অপরাহ্ন

শিরোনাম

ভারতে থাকা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা যাতে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে না পারে: হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন

  • আপডেট: Thursday, September 17, 2026 - 11:28 am
  • পঠিত হয়েছে: 5 বার

টাচ নিউজ:ভারতে অবস্থানরত পলাতক ও আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা যাতে বাংলাদেশে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করতে না পারে, সে বিষয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মাহ্দী আমিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সাক্ষাৎকালে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক উন্নয়ন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।  বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাধেও উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ভারতের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও মূল্যবোধকে আরও সুসংহত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা, ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ পারস্পরিক সংলাপ এবং সহযোগিতার মাধ্যমে সমাধানের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে।

বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বহুমাত্রিক দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ছাড়া ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়েও দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট এসব খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও গভীর করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বাংলাদেশ ও ভারতের সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও বহুমুখী করার ক্ষেত্রে নতুন নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। বৈঠকে দুই পক্ষই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মতবিনিময় করেন। পাশাপাশি বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।