নতুন বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা থাকবে এবারের বাজেটে: মির্জা ফখরুল
টাচ নিউজ: আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত হতে যাওয়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে ঘিরে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে এবারের বাজেটে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সোমবার (৮ জুন) রাতে রাজধানীর বাসাবো বৌদ্ধ মন্দিরে মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ প্রার্থনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, “আগামী ১১ জুন সংসদে বাজেট ঘোষণা করা হবে। আমরা অত্যন্ত আশাবাদী, এই বাজেটের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য নতুনভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।” তিনি বলেন, সরকার একটি অসাম্প্রদায়িক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ‘রেইনবো স্টেট’ গড়ে তুলতে চায়। তবে একটি গোষ্ঠী ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি করে দেশকে ভিন্ন পথে নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিএনপি মহাসচিব বলেন, “বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অস্বীকার করে ধর্মভিত্তিক বিভাজন সৃষ্টির যে অপচেষ্টা চলছে, তা কখনো সফল হতে দেওয়া যাবে না। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।”শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি নির্মাণে জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। কৃষি উন্নয়ন, খাল খনন, মুক্তবাজার অর্থনীতি, তৈরি পোশাক শিল্পের বিকাশ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থানের মতো উদ্যোগ তার সময়েই শুরু হয়।
তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছরে জিয়াউর রহমানকে নিয়ে নানা অপপ্রচার চালানো হলেও জনগণের হৃদয় ও ইতিহাস থেকে তাকে মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে অবদানের কথাও উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, মেয়েদের এসএসসি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালুর মাধ্যমে নারীর অগ্রগতির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খেলাধুলা এবং তরুণদের উন্নয়নমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে উন্নয়নের নতুন ধারা সৃষ্টি হয়েছে।অনুষ্ঠানে সড়ক ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।










