ঢাকা | অক্টোবর ১৭, ২০২৬ - ৫:১৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম

হিলারি ক্লিনটন অ্যাওয়ার্ড পেলেন নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস

  • আপডেট: Saturday, October 17, 2026 - 10:44 am
  • পঠিত হয়েছে: 7 বার

টাচ নিউজ:দারিদ্র্য বিমোচন ও নারীর ক্ষমতায়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ ‘হিলারি রোডহ্যাম ক্লিনটন অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন তার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যাস্টন হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ড. ইউনূসকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রায় ২৫টি দেশের রাষ্ট্রদূত, উদ্যোক্তা, শিক্ষক ও গবেষকসহ প্রায় ৪০০ অতিথি উপস্থিত ছিলেন। আয়োজনে ড. ইউনূসের নাম ঘোষণা করা হলে উপস্থিত অতিথিরা দাঁড়িয়ে দীর্ঘক্ষণ করতালি দিয়ে তাকে সম্মান জানান। এ বছর ড. ইউনূসসহ মোট চারজন এ পুরস্কার পেয়েছেন। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাজের প্রশংসা করেন হিলারি ক্লিনটন। তিনি বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রম তিনি নিজে দেখেছেন। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে নারীরা কীভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন, নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন এবং ক্ষমতায়নের পথে এগিয়েছেন, তা অভূতপূর্ব। হিলারি ক্লিনটন আরও বলেন, ড. ইউনূসের কাজ শুধু বাংলাদেশের নারীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; তিনি তার উদ্যোগ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছেন। পুরস্কার গ্রহণের পর বক্তব্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার কাজের ৫০ বছর পূর্তির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পাঁচ দশক ধরে পরিচালিত তাদের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। ড. ইউনূসের মতে, এ আয়োজন বাংলাদেশের মানুষের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পৌঁছে দেবে এবং গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত পরিবারগুলোকে অনুপ্রাণিত করবে। তিনি বলেন, ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষকে স্বাবলম্বী করা এবং নারীদের অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়নের লক্ষ্য নিয়ে গ্রামীণ ব্যাংক কাজ করে আসছে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েও নিজের ভাবনা তুলে ধরেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার মতে, শিক্ষার লক্ষ্য শুধু তরুণদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে গড়ে তোলা হওয়া উচিত নয়; বরং তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ‘গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়’ চালুর আশাও প্রকাশ করেন তিনি। দারিদ্র্য বিমোচন, ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম ও নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে দীর্ঘদিনের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কারকে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।