ঢাকা | অক্টোবর ১৩, ২০২৬ - ৪:৫৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম

তুহিন হত্যা মামলায় পুনরায় জামিন পেলেন সাবেক মেয়র আইভী

  • আপডেট: Tuesday, October 13, 2026 - 10:52 am
  • পঠিত হয়েছে: 4 বার

টাচ নিউজ:গণঅভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে রিকশাচালক তুহিন হত্যা মামলায় পুনরায় জামিন পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হওয়ার পর উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক। আদালত থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন আইভী। এ সময় তিনি বলেন, ‘জয় বাংলা দাবিয়ে রাখা যাবে না।’ মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতে পৌঁছান সেলিনা হায়াৎ আইভী। পরে পুলিশি নিরাপত্তায় তাঁকে আদালতকক্ষে নেওয়া হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে বিপুলসংখ্যক আইনজীবী, সাংবাদিক ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। শুনানিতে আইভীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন বলেন, এ মামলায় পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তদন্তে বিস্ফোরকের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি এবং মামলায় আইভীর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণও মেলেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আদালতের নোটিশ দেওয়া হলেও মামলার বাদী ও নিহত তুহিনের স্ত্রী আলেয়া আক্তার মিম হাজির হননি। পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ায় তাঁরা প্রতিবেদনটি গ্রহণের পাশাপাশি আইভীর পুনরায় জামিনের আবেদন করেছেন। শুনানিতে জামিনের বিরোধিতা করেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) জাকির হোসেন। তিনি জানান, আইভীর জামিনের বিরুদ্ধে নারাজি পিটিশন দেওয়া হবে। এর জবাবে আইভীর আইনজীবী আওলাদ হোসেনসহ আসামিপক্ষের অন্য আইনজীবীরা প্রশ্ন তোলেন, পিপি কোন আইনে নারাজি পিটিশন দেবেন। পরে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীম আজাদ আইভীর পুনরায় জামিন মঞ্জুর করেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই সিদ্ধিরগঞ্জের ব্র্যাক ব্যাংকের সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিহত হন রিকশাচালক তুহিন। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানকে এক নম্বর এবং সেলিনা হায়াৎ আইভীকে ১১ নম্বর আসামি করা হয়। সেলিনা হায়াৎ আইভী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। মামলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, হাইকোর্ট থেকে তিনি তাঁর সব মামলায় জামিনে রয়েছেন। তবে এ মামলায় পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণের বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।