হাম উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
টাচ নিউজ:সারা দেশে হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাম সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৪১ জন। এর মধ্যে হাম উপসর্গে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ২২৮ জন এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১১৩ জনের। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো হামবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে হাম উপসর্গে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৮ হাজার ২৮ জন। একই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ২১২ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩১০ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫১৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ৯৯৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। তবে ২৭ সেপ্টেম্বরের হালনাগাদ হিসাবে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যবর্তী সময়ের মৃত্যুর তথ্যসহ মোট সংখ্যা আরও বেড়েছে। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। তবে ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগে মোট ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দৈনিক হিসাব অনুযায়ী, দেশে হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এখনো উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায়ই ১ হাজার ২২৮ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে আরও ১১৩ জনের। ১৫ মার্চ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩১০ জন। এ সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫১৯ জন। হাম পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম রোগী, হাসপাতালে ভর্তি, সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পাওয়া এবং মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করছে। সরকারি হাম পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ প্ল্যাটফর্মেও দৈনিক তথ্য হালনাগাদ করা হচ্ছে। এদিকে, শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান বাড়াতে দেশব্যাপী বিশেষ এমআর ক্যাচ-আপ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, টিকাদান থেকে বাদ পড়া বা টিকা না পাওয়া শিশুদের শনাক্ত করে এ কর্মসূচির আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।











