ঢাকা | জুন ১৮, ২০২৬ - ১১:৫৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম

সামরিক প্রশিক্ষণে ধর্মীয় অনুশাসনের গুরুত্ব তুলে ধরলেন সেনাপ্রধান

  • আপডেট: Thursday, June 18, 2026 - 9:30 am
  • পঠিত হয়েছে: 5 বার

টাচ নিউজ:সামরিক জীবনে ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম বলে মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখতে একটি দক্ষ, আধুনিক ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সেনাবাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বাহিনীর নেতৃত্ব মূলত অফিসারদের হাতে থাকে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের কমিশনপ্রাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সেনাপ্রধান বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে দক্ষ, মেধাবী ও নেতৃত্বের উপযোগী অফিসার তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। এখান থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তিনি আরও বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিএমএতে ‘২য় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন’ চালু করা হয়েছে, যা প্রশিক্ষণের মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান সদ্য কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের উদ্দেশে বলেন, শপথ গ্রহণের মাধ্যমে তাদের ওপর দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার গুরুদায়িত্ব অর্পিত হলো। তিনি সততা, শৃঙ্খলা ও কর্তব্যবোধ বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

দীর্ঘ তিন বছরের কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে ৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্স থেকে ১৮৪ জন ক্যাডেট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। এর মধ্যে ১৬৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারী অফিসার রয়েছেন। পাশাপাশি ফিলিস্তিন, তানজানিয়া, জাম্বিয়া ও মালদ্বীপের বিদেশি ক্যাডেটরাও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। অনুষ্ঠানে সেরা ক্যাডেট হিসেবে ‘সোর্ড অব অনার’ এবং সেনাবাহিনী প্রধান স্বর্ণপদক অর্জন করেন ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার খায়রুল ইসলাম। বিদেশি ক্যাডেটদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে ‘বিএমএ ট্রফি অব এক্সিলেন্স’ পান তানজানিয়ার সার্জেন্ট আবু বকর।পরে নবীন অফিসারদের র‍্যাঙ্ক-ব্যাজ পরিয়ে দেন অভিভাবকরা। এছাড়া সেনাপ্রধান বিএমএতে নবনির্মিত বিভিন্ন স্থাপনা ও উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেন।