শেখ রেহানার গুলশানের বাড়ি ডিজাইনার ভোল পাল্টিয়ে প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরে মব সৃষ্টি করে ফয়সাল হালিম এখনও ঢাকায় বহাল তবিয়তে
নিজস্ব প্রতিবেদক :শেখ রেহানার গুলশানের বাড়ি ডিজাইনার বিদেশে গমন শেষে ভোল পাল্টিয়ে প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরে মব সৃষ্টি করে ফয়সাল হালিম এখনও ঢাকায় বহাল তবিয়তে রয়েছে।
টেন্ডার বানিজ্য করে ১০% কমিশন নেয়ার অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল।
ফয়সাল হালিম ২৮ বিসিএসের একজন কর্মকর্তা ঢাকা গণপূর্ত রক্ষনাবেক্ষন গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী থাকা কালীন শেখ রেহানা পরিত্যক্ত সম্পত্তির গুলশানের বাড়ি ইনটেরিয়র ডিজাইন করে পুরো বাড়ি কয়েক কোটি ব্যয় করে যাবতীয় কাজ করে অলিশান বাড়ি করে দেন এই ফ্যাসিবাদের অন্যতম দোসর ফয়সাল হালিম নথিপত্র দেখে দৈনিক মানব কথার অনুসন্ধানে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। ফ্যাসিবাদ সরকারের আমলে এই ছোট আপাখ্যাত শেখ রেহানা পরবর্তীতে ফয়সাল হালিম কে ইডেন গণপূর্ত বিভাগে প্রাইজ পোষ্টিং পাইয়ে দেন। সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মোঃ শামীম আখতার ফয়সাল হালিমের ক্ষিপ্ত হয়ে ইডেন গণপূর্ত বিভাগ বদলী করা হলেও পরবর্তীতে বদলী আদেশ প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন কারণ তার খুটির জোর ছিল শেখ পরিবারের ছোট আপাখ্যাত শেখ রেহানা আপার আস্থা ভাজন হিসাবে। ইডেন গণপূর্ত বিভাগের আওতাধীন অধীন নবনির্মিত বাংলাদেশ সচিবালয়ের বিশ তলা ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। ইডেন গণপূর্ত বিভাগের ফয়সাল হালিম এই বিশ তলা ভবনের দরপত্র আহবান বেজমেন্টের শতভাগ কাজ ও সুপার স্ট্রাকচার সকল তিন বছরে তিনি করছেন ঠিকাদরী প্রতিষ্ঠান কে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিয়ে বিশেষ সুবিধা দিয়ে অতি নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করে ভবনটি এখন ঝুকিপূর্ন হয়েছে। ফ্যাসিবাদ সরকারের অন্যতম দোসর ফয়সাল হালিমের বিরুদ্ধে পাহাড় সমান অভিযোগ উঠেছে। ফয়সাল হালিম ২০২৫ বিদেশ থেকে এসে তৎকালীন প্রধান প্রকৌশলী মোঃ শামীম আখতার দপ্তরে ভুয়া জুলাই যোদ্ধাদের দিয়ে মব সৃষ্টি করে ‘আজিমপুর গণপূর্ত বিভাগে প্রাইজ পোষ্টিং বাগিয়ে নেন বর্তমানে চার শত কোটি দরপত্র আহবান করতে চলে আসে এবং সাকসেসফুল হয়ে টেন্ডার আহবান করে কয়েক কোটি হাতিয়ে নিয়েছেন। এবারসচিবালয়ে ২০ তলাবিশিষ্ট নতুন অফিস ভবন নির্মাণ’ প্রকল্পটি ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর একনেক সভায় অনুমোদিত হয়। ৪৬১ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের আওতায় দুটি বেজমেন্টসহ ২০ তলা সুপার স্ট্রাকচার বিশিষ্ট অফিস ভবনের নির্মাণকাজ গত ডিসেম্বরে শেষ হয়। পরে চলতি বছরের মে মাসে এ ভবনের কার্যক্রম শুরু করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
ভূমিকম্পের পরে ১ নম্বর ভবনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১০ তলায় ৯৩০ নম্বর কক্ষের দরজার নিচের দিকে উত্তর পাশের দেয়ালে বড় ধরনের ফাটল রয়েছে। পলেস্তরা অনেকটাই খসে পড়ে গেছে। এ ছাড়া দশম তলায় ১০০ নম্বর কক্ষের সামনের দেয়ালের মাঝামাঝি ফাটল দেখা গেছে। নবনির্মিত ভবনে নিম্নমাণের সামাগ্রী দিয়ে কাজ করা সিডিউল অনুযায়ী ফয়সাল হালিম বেজমেন্টের কাজ না করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ভাগাভাগি করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ফয়সাল হালিম ইডেন গণপূর্ত বিভাগে তিন বছর থেকে শত কোটি কামিয়েছেন পরবর্তীতে লিয়েন ছুটিতে দেশ বাহিরে চলে যান। ২০২৪ গণঅভ্যুত্থানের পর ঝোপ ঝোপ বুঝে পুনরায় ভোল পাল্টিয়ে আবারও আজিমপুর গণপূর্ত বিভাগে প্রাইজ পোষ্টিং বাগিয়ে নেন এখন বিভিন্ন গ্রুপ মেইনটেন করে আজিমপুর কলোনির চার শত কোটি টাকার দরপত্র আহবান করে পছন্দের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কে কাজ দিয়ে কোটি কোটি হাতিয়ে নিয়েছেন। এই ফয়সাল হালিম যাদু দিয়ে এলটিএম পদ্ধতির দরপত্র ম্যানেজ করে ফেলছেন যেখানে গত অক্টোবর মাসের দরপত্র লটারী হয়েছে সেখানে ২৪ নভেম্বর ও ২৭ নভেম্বরের দরপত্রে দুইজন থেকে সর্বোচ্চ আট জন অংশ গ্রহণ করে পরবর্তী ফয়সাল হালিমের পছন্দের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কে কাজ পাইয়ে দিতে সকল পক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। সর্বমোট প্রায় একশত দশ টি দরপত্রে এমন কারসাজি করে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ দিতে নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিম ১০% কমিশন নিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন অভিযোগ দাখিল করছেন একাধিক কাজ না পাওনা ভুক্তভোগী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। এই সকল কাজের দরপত্র আইডি প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। এই ফয়সাল হালিম ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ এই দুই অর্থবছরে অফিস এডযাষ্ট করার নামে চল্লিশ লক্ষ টাকার কোটেশন করে পুরো টাকা এসডিই ও এসও এবং মুল মাষ্টার মাইন্ড ফয়সাল হালিম লোপাট করেছেন।
এছাড়াও ফয়সাল হালিম নিজে ঠিকাদারী, অনিয়ম ও দুর্নীতি করে শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন তার ঢাকা শহরে একাধিক ফ্ল্যাট ক্রয় করছেন, নিজ জেলায় অলিশান বাড়ি, একাধিক ব্যাংকে বিপুল পরিমান টাকা নিজ বাসায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ রাখেন।










