ঢাকা | এপ্রিল ১৬, ২০২৪ - ৫:০২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কল্যাণ পার্টির আলোচনা সভা

  • আপডেট: Thursday, February 22, 2024 - 5:28 am
  • পঠিত হয়েছে: 101 বার

টাচ নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তর- দক্ষিণের যৌথ উদ্যোগে ভাষা শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কল্যাণ পার্টির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক আবু ইউসুফ সুমনের সভাপতিত্বে ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহবায়ক লায়ন উমার রাযীর সঞ্চালনায় উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন শামসুদ্দিন পারভেজ বলেন, ‘২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস। ১৯৫২ সালে এ দেশের তরুণ, ছাত্র ও যুব সমাজ বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য তদানীন্তন শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল। আন্দোলন দমনের জন্য সেদিন রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মিছিলকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল। গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসহ আরো অনেকেই। বাংলা ভাষার জন্য তাদের এ আত্মত্যাগের কারণে দেশের মানুষ তাদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। আমি মহান আল্লাহর কাছে তাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি।

তিনি আরো বলেন, ‘সমাজকে পরিপূর্ণভাবে পরিবর্তন করতে হলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের হাতে তুলে দিতে হবে। তা না হলে সত্যিকারভাবে মানুষের কোন কল্যাণ হবে না। তিনি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানান।’

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে কল্যাণ পার্টি মহাসচিব মুহাম্মদ আবু হানিফ সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালুর দাবি জানিয়ে বলেন, ‘জ্ঞান বিজ্ঞানের বিভিন্ন গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করে জনগনের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে হবে। ৫২র ভাষা আন্দোলন ছিল মূলত নিজ ভাষায় কথা বলার অধিকারের আন্দোলন। কিন্তু আজকের পরিস্থিতি তার চেয়ে ভয়াবহ। এখন তো কথা বলারই অধিকার নেই। ইজ্জত রক্ষার অধিকার নেই। ভাত, কাপড়, শিক্ষাসহ সব কিছুর অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। সব কিছুর অধিকার আজ ভূলুণ্ঠিত। তিনি নেতা-কর্মীদের নতুন করে আবার একুশের চেতনায় শপথ নিয়ে জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহবান জানান।’

আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।