টাচ নিউজ ডেস্ক: জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ২৩ নভেম্বর হিংসামুক্ত বিশ্ব সম্প্রীতি দিবস পালন করার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ বন্ধু সমাজের উদ্যোগে ৯ নভেম্বর শনিবার বিকালে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদের ভিআইপি সেমিনার কক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এফ. আহমেদ খান রাজিব। তিনি বলেন, এক পৃথিবীর এক মানবজাতি হওয়ায় ৩৬৫ দিনের মধ্যে অন্তত একটি দিন পৃথিবীর সকল মানুষ জাতি হিংসা বর্জন করে পারস্পরিক ভেদাভেদ ভুলে কলহ, দ্বন্দ্ব-সংঘাত ও সন্ত্রাসমুক্ত সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের মিশ্রণে সৌহার্দ্যপূর্ণ উৎসবমুখর পরিবেশে অতিবাহিত করলে অবশ্যই পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে বন্ধুত্ব স্থাপনে পৃথিবীতে সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের যুগের আগমন ঘটবে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিশ^ব্যাপী জনমত সৃষ্টি করার জন্য জাতিসংঘসহ পৃথিবীর গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র প্রধানকে চিঠি পত্র আদান প্রদান করা হয়েছে। জাতিসংঘ থেকে আমাদের চিঠি প্রাপ্তির পর তারা জানিয়েছে কোন ব্যক্তি কোন দিবস পালনের জন্য চিঠি দিলে সেটি কার্যকর করা হয় না। বরং ঐ চিঠি যদি রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদান করা হয় সেটি বিবেচনা করা হয়। যেহেতু জাতিসংঘ আমাদের বিষয়টি গুরুত্ব অনুধাবন করেছেন সেই জন্য বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক যদি জাতিসংঘে হিংসামুক্ত বিশ^ সম্প্রীতি দিবস প্রস্তাব করা হয় তাহলে তা কার্যকর হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।

তিনি বলেন, আগামী ২৩ নভেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম মিলনায়তনে সকাল ১১ টায় হিংসামুক্ত বিশ্ব সম্প্রীতি দিবস পালন করার জন্য বাংলাদেশ বন্ধু সমাজের পক্ষ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এই উদ্যোগকে সফল করার জন্যই সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাংবাদিক সম্মেলনের অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলমযোদ্ধা মো. লিয়াকত আলী খান, রাজশাহী’র বন্ধু মো. হাবিবুর রহমান, খুলনার বন্ধু মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, গোপালগঞ্জের বন্ধু এড. মো. আতাউর রহমান, বরিশালের বন্ধু ড. রুহুল আমিন চৌধুরী, ঢাকার বন্ধু হারুন অর রশীদ-সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য ২০১২ সালের ২৩ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধু সমাজের যাত্রা শুরু হয়। সেই থেকে চলমান সময়ে যুগের প্রয়োজনে সত্য, ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় দেশ ও পৃথিবীর মানুষের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে বন্ধুত্ব স্থাপনে কাজ করে চলেছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে