ইকবাল আহমেদ লিটন: বঙ্গবন্ধু এবং শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ সবাই ঘাতকদের হাতে নির্মমভাবে শহীদ হন। এ হত্যাকাণ্ডের ভিতর দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি কালো অধ্যায়ের সূচনা হয়। সে অবস্থার পরিবর্তন হয় ১৯৮১ সালের ১৭ মে। সেদিন বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন সর্বস্বহারা শেখ হাসিনা। কাণ্ডারি বিহীন, দিগভ্রান্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে দেশে ফিরে আসেন তিনি। সে সময়ে দেশের বাইরে ছিলেন বলেই ঘাতকের বুলেট তাকে তখন স্পর্শ করতে পারেনি। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ দেশের সব মানুষেরই ভরসা ছিল এই যে, একদিন ফিরবেন তিনি। পিতার আদর্শ বাস্তবায়নে এগিয়ে নেবেন দলকে, সর্বোপরি দেশকে। বাংলা মায়ের সন্তান তিনি। ফিরে এলেন আবার সেই মায়েরই কোলে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তার নামের আগে পরে কোন বিশেষণ যোগ করার দরকার হয় না। এক কঠিন সংগ্রামের পথবেয়ে নিজ প্রতিভায় বিকশিত তিনি। বিশ্বমানবের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত আজ তিনি। পিতার মতো দুর্জয় সাহস নিয়ে দেশের রাজনীতি ও জনগণের পক্ষে নিজের দৃঢ় অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছেন, যুদ্ধ করছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখনও এগিয়ে চলছেন। বিদেশে থাকায় মধ্যরাতের হত্যাযজ্ঞ থেকে বেঁচে যান পঁচাত্তরের পনেরই আগস্টে।

২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার মতো ২৩ বার তাকে হত্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ষড়যন্ত্রকারীরা জানে, দেশরত্ন শেখ হাসিনার মাধ্যমে পথ হারানো জাতি দিশা পেয়েছে। পিতার সাহস ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা তাকে দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্ব দরবারে আসন দিয়েছে। তার সবচেয়ে বড় সাফল্য, যুদ্ধের ময়দান থেকে হটে না যাওয়া। তার চারদিকে এখনও পরাক্রান্ত বহু শত্রু। যুদ্ধের ময়দানে একাই লড়ছেন উচ্চ করে শির। এক পা পিছু হটার নিদর্শন নেই। সাম্রাজ্যবাদের পদলেহন, স্বৈরাচারের কাছে আত্মসমর্পণ এবং দেশ ও জনগণের বিপদের মুহূর্তে দেশত্যাগ বা রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়ার কোন ঘটনাই নেই তার জীবনে। তাই তিনি বাংলাদেশ ছাড়িয়ে বিশ্বের একজন সফল রাজনৈতিক নেত্রী ও রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হয়েছেন। শেখ হাসিনা যদি আওয়ামী লীগ ও দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির ঘোর দুর্দিনে সম্পূর্ণ অভাবিত ও অপ্রত্যাশিতভাবে দেশের রাজনীতিতে চমক লাগিয়ে সব দ্বিধা, সঙ্কোচ ও সংসারের বন্ধন ত্যাগ করে রাজনীতির কণ্টকাকীর্ণ পথে এসে না দাঁড়াতেন এবং বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির পতাকা আবার সাহসের সঙ্গে ঊর্ধ্বে তুলে না ধরতেন, তাহলে বাংলাদেশের অবস্থা আজ কী দাঁড়াত, তা ভাবতেও শঙ্কা হয়। এই তিনিই আজকের জননেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী এবং একইসঙ্গে বিশ্বনেত্রী, বিশ্ব নেতৃত্বের আসনে নিজেকে সমাসীন করার জন্য প্রস্তুতি পর্ব সমাপন করে সমুখে শান্তি পারাবার নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন দৃঢ় ও দীপ্ত পদক্ষেপে। ভূগোলের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডল বিশ্বভাবনাকে সামনে রেখে সিদ্ধান্ত জানাতেও পিছপা নন। বিশ্বজুড়ে জঙ্গিবাদ, দ্বন্দ্ব, হানাহানি, সংঘাত, সংঘর্ষ; আক্রান্ত বারুদের ঝনৎকারের বিপরীতে শান্তির বার্তা তিনি ছড়িয়ে দিচ্ছেন। বিশ্বজুড়ে যে জঙ্গিবাদের বিস্তার, তার নির্মূলে তিনি সোচ্চার। নিজ দেশের সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের তিনি দমন করছেন সাহসের সঙ্গে। নানা ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অনেক উচ্চতায় তিনি নিয়ে গেছেন, যে কারণে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের জন্য রোল মডেল।

মানুষের জীবন যেন মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। সময় মানুষকে আনন্দিত করে, আবার সময় মানুষকে বেদনার্ত করে। সবদোষ যেন সময়ের। সময়ের ঘাড়ে দোষ চাপানো মানুষের স্বভাব। এ দোষ চাপানোটা এখন আমাদের এক ধরনের কালচার হয়ে গেছে। ভাবটা- সবার এরকম, আমি একমাত্র পৃথিবীতে মহাপুরুষ; নীতিবান আর সাধু। আর দুনিয়ার সবাই বিপথগামী।

আমরা যখন একটা ভুল করে ফেলি, তখন একটাই চিন্তা- কীভাবে এ দোষটা অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে নিজেকে বিপদমুক্ত রাখা যায়। কোনো ভালো কিছুর ক্রেডিট নিতে আমাদের মতো ওস্তাদ আর দুনিয়ায় নেই। কিন্তু কাজটা যখন খারাপ হয়, তখন একে অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে বেমালুম বিষয়টা থেকে সটকে পড়া আমাদের চিরায়ত স্বভাব। ভালো কাজের ক্রেডিট নেব আর মন্দ হলে নিজেকে সাধু বানিয়ে অন্যকে চোর বানাব, সেটা তো হয় না। ভালো কাজ করলে বিনীত হতে হয়, আর মন্দ কাজ করলে সেটার দায়িত্ব নেয়ার সাহস থাকতে হয়। কিন্তু সেখানেই আমাদের সাহসের কোনো চিহ্ন নেই বরং এ জাগাটায় আমরা সবাই একেকজন কাপুরুষ।

ভারতে একজন রেলমন্ত্রী ছিলেন। নামটা হয়তো সবাই জানেন। তার নাম লাল বাহাদুর শাস্ত্রী। আপনি হয়তো বলবেন, তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ভুল বলেননি। কিন্তু তিনি কি এত সহজে প্রধানমন্ত্রী হতে পেরেছেন? না। তিনি যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন, তখন রেল দুর্ঘটনার দায়িত্ব নিজের ঘাড়ে নিয়ে পদত্যাগ করেছিলেন। তিনি রেলমন্ত্রী- তাই রেল নিয়ে পরিকল্পনা আর উন্নয়ন করবেন। তিনি তো রেলগাড়ি চালাবেন না! একদম ঠিক, তিনি রেল চালাননি। কিন্তু দুর্ঘটনার দায়ভার নেয়ার সাহস দেখিয়েছেন। যেটা ভীরুরা পারে না, বীররাই পারে। মানে নিজে বিনীত হয়েছেন। এতে তার সুনাম বেড়েছে। সব মানুষের আস্থা আর গ্রহণযোগ্যতার জায়গায় পরিণত হয়েছেন। তার প্রতিদানে তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সেই মহতী কথাটা মনে পড়ে- ‘মহাঅর্জনের জন্য মহাত্যাগ দরকার।’ এর প্রমাণ লাল বাহাদুর শাস্ত্রী।

কেউ ভালো করলে আমরা নাক সিটকাই। কীভাবে সেখান থেকে খুঁত বের করে সমালোচনা করা যায়, সেটাই যেন মূল বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। ফলে অর্জনটা বিসর্জন হয় আর সমালোচনাটা মানুষের সময় নষ্টের একটা উপাদান হয়ে যায়। ফলে সেখান থেকে শোরগোল আর শোরগোল থেকে গণ্ডগোল শুরু হয়। ভালোও করা যাবে না, খারাপও করা যাবে না। তাহলে মানুষ কী করবে?

মোদ্দাকথা, কোনোকিছু না করে কীভাবে একজনের অনুপস্থিতিতে তার দুর্নামের বেলুন ফুলিয়ে সেটাকে সবাই মিলে ফাটানো যায়, সেটাই যেন মহা আনন্দের বিষয় হয়ে থমকে যায়।

আরেকটা জিনিস মানুষ খুব পারে- সেটা হল নিজেকে বিদ্বান বানিয়ে অন্যকে কীভাবে হেয় করা যায়। যেন দুনিয়ার সবকিছু একাই সে বোঝে আর বাকি সবাই অপদার্থ ও মহামূর্খের দল। তার জাদুকরী চতুর কথায় রথী-মহারথীরা পর্যন্ত বিভ্রান্ত হয়। মহারথীরা ভাবে, একটা হীরকখণ্ড তার হাতে এসেছে। এ পরশ পাথর দিয়ে তারা দুনিয়া পাল্টে ফেলবে। না মশাই, এমনটা না ভাবাই ভালো। বরং উল্টোটা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কারণ যত গর্জে তত বর্ষে না। মানুষকে সম্মান করতে শিখুন। যাকে যতটুকু মর্যাদা দেয়া দরকার, সেটা দিন। এটাতে কোনো পরাজয় বা গ্লানি নেই বরং আনন্দ আছে।

একা দেশপ্রেমিক আমাদের বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা ছাড়া আর সবাই কি, তারা কি দেশপ্রেমিক না? একা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জানাশোনা সমস্যার সমাধান করে চলেছেন এ কথা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের বাঙালি জাতি সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ ও সুন্দর জাতি গঠনে অঙ্গিকারবদ্ধ হয়ে কাজ করে চললে দেশ অতি দ্রুত উন্নত বিশ্বে অবস্থান করতো। কিন্তু আমরা একেকজন মানুষের সবসময় কাটি করার চিন্তায় মগ্ন থাকি তাহলে দেশ ও মানসিকতা সুন্দর হবে কেমনে?

ডক্টর ভীমরাও রামজি আম্বেদকরকে চিনেন? তিনি ভারতের সংবিধানপ্রণেতা ছিলেন। আরও অনেক কিছু ছিলেন তিনি। যেমন- রাজনৈতিক নেতা, দার্শনিক, চিন্তাবিদ, নৃতত্ত্ববিদ, ঐতিহাসিক, বাগ্মী, বিশিষ্ট লেখক, অর্থনীতিবিদ, পণ্ডিত ও সম্পাদক। এ মানুষটাকে একদিন অভিজাত বংশের মানুষরা অবজ্ঞা করেছিল। মানুষটা যে খুব নিচু বংশের ছিল এ জন্য! কিন্তু লেখাপড়ার প্রবল আগ্রহ ছিল। অনেক বাধাবিঘ্ন পেরিয়ে একটা স্কুলে পড়ার সুযোগ পেলেন। কিন্তু বড় বংশের মানুষ এ নিচু বংশের মানুষটার সঙ্গে বসবে না। ফলে স্কুলের দরজার বাইরে মাটিতে বসে তাকে ক্লাস করতে হতো। পানির পিপাসা যখন লাগত, কে দেবে তাকে পানি? তাকে পানি দিতে গিয়ে গায়ে যদি ছোঁয়া লাগে, তাহলে তো জাত চলে যাবে। দেখুন, এর সঙ্গে ভাবুনও- যে মানুষটাকে সবাই অবহেলা করেছে, সেই মানুষটাই আসল মানুষে পরিণত হয়েছে। ২০১২ সালে হিস্ট্রি টিভি-১৮ আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে ভারতীয়দের ভোটের দ্বারা এ লোকটাই শ্রেষ্ঠ ভারতীয় নির্বাচিত হন। আর যারা অবহেলা করেছিল মানুষটাকে, তাদের কিন্তু পৃথিবী মনে রাখেনি। এটাই হয়তো প্রকৃতির বিচার। তাহলে অহংকার ধরে রাখার জন্য মানুষকে কখনও অবহেলা করবেন না; বরং বিনীত হন। মানুষ হিসেবে মানুষকে স্বীকৃতি আর মর্যাদা দিন। কারণ বড় যদি হতে চান, ছোট হন তবে। এতেই মঙ্গল। এটাই ইতিবাচক মানসিকতা। এ জন্য আমি সবসময় বলি, আমাদের নিজেদের পাল্টানো দরকার। যদি নিজেরা না পাল্টাই, তবে সমাজ পাল্টাবে না। আর আমরা নিজেদের মানুষ বলার দাবিটুকুও হারাব। আমরা বাঙালি- এটা আমাদের অহংকার। কিন্তু অহংকারের জায়গাটায় এখন আগাছা আর পরগাছা জন্মেছে। আত্মত্যাগ যে জাতির মানসিকতায় থাকার কথা ছিল, সেখানে কেমন করে যেন ধীরেধীরে আত্মকেন্দ্রিকতা শক্ত শেকড় গেড়ে বসেছে। আমরা আমাদের নিজেকে নিয়ে যতটা ভাবি, দেশকে নিয়ে ততটা কি কখনও ভাবি? মনে হয় না; অথচ বিষয়টা উল্টো হওয়ার কথা ছিল। আমরা যদি মনপ্রাণ দিয়ে দেশকে নিয়ে ভাবতাম, তবে দেশ আরোও দ্রুত এগিয়ে যেত। দেশ এগোনো মানেই তো মানুষ এগোনো। না -এখানেই আমাদের সমস্যা। এটা চাই, ওটা চাই। এটা আমাকে পেতেই হবে, কীভাবে অন্যকে টপকে নিজের ফায়দাটা লুটে নেয়া যায়; এগুলোই যেন এখন আমাদের জীবনের অংশ হয়ে গেছে। এখন আমাদের মনে চিড় ধরেছে, বিশ্বাসে চিড় ধরেছে; মানবিক আচরণে চিড় ধরেছে। কিন্তু সবচেয়ে বেশি যে জায়গাটায় আমাদের চিড় ধরেছে, সেটি হল দেশপ্রেম।

-কেবল কথায় দেশপ্রেম, কাজে নেই। আবার নিজের ভেতরের হতাশা ও অক্ষমতা এড়িয়ে গিয়ে দেশটার ওপর কীভাবে দোষ চাপিয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচা যায়, এটাই যেন এখন আমাদের কালচার হয়ে গেছে। সত্য করে বলুন তো- একবারও কি স্বার্থ ছাড়া আমরা দেশ গঠনের কথা ভেবেছি? মনে হয় না। যেমন ধরুন, যে ছেলেটা চাকরি খুঁজে বেড়াচ্ছে কিন্তু পাচ্ছে না; সে দোষারোপ করছে দেশকে। কিন্তু নিজের দোষটা খুঁজে বের করছে না। ধরলাম, নিজের দোষ নেই। খুব ভালো কথা। চাকরিই কী মানুষের জীবনের মূল লক্ষ্য, নাকি আরও অনেক সুযোগ ও বিকল্প আছে; সেটা বের করে নিজেকে বড় করে তোলাই মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। ছোটখাটো গড়নের চীনা মানুষটি এখন প্রায় ২৩০ বিলিয়ন ডলার মূল্যমানের কোম্পানি আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা। এ ধরনের প্রতিষ্ঠান গড়তে খুব বেশি অর্থের প্রয়োজন নেই। এ ধরনের আরেকটি বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে জেফ বেজসের আমাজন।

-একজন তরুণ ঘরে বসেই এ ধরনের অনলাইন শপিং খুলে বসে কোনো বিনিয়োগ ছাড়াই প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে পারে। এর সঙ্গে আউটসোর্সিংয়ের মতো কাজ করেও তরুণরা তাদের জীবন বদলে ফেলতে পারে। আমাদের দেশের গবেষকরা, বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অনেক সময় এ দেশে গবেষণার পরিবেশ নেই বলে হাত-পা ছেড়ে বসে থাকে। দোষটা যে দেশের নয়, নিজের মানসিকতার; সেটা বুঝতে চায় না। তারপরও যত দোষ নন্দ ঘোষ। এ কথাটা বলার অনেক যুক্তি আছে। এ দেশেরই বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু, মেঘনাদ সাহা, ড. মাকসুদুল আলম, ড. কুদরাত-এ-খুদা, সত্যেন্দ্রনাথ বসুসহ অনেকেই বিশ্বমানের গবেষণা করেছেন। এখনও অনেকে করে চলেছেন।

কাজেই কোনো ধরনের খোঁড়াযুক্তি দেয়ার সুযোগ নেই। আমরা নিজেদের মানসিকতা পরিবর্তন করে দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে সবাই কাজ করলে তবেই মানুষ ও দেশ গড়ে উঠবে।

লেখকঃ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা,সদস্য সচিব- আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগ,

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে