টাচ নিউজ ডেস্ক: মাত্র ২ দিনের ব্যবধানে নাটোরে কুল বড়ইয়ের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। বর্তমান দামে কুল ও পেয়ারা চাষে লোকসান গুনছেন বলে দাবি কৃষকদের। তবে ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের দাবি, অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে কমেছে দাম।

নাটোরের স্থানীয় বলসুন্দরি জাতের কুল গত মাসের মাঝামাঝি থেকে পাইকারি বাজারে ৭০ থেকে ৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছিল। কিন্তু মার্চ মাসের শুরু থেকে দাম কমতে থাকে। বুধবার যা অর্ধেকে নেমে কেজিপ্রতি ৩৫ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়। বর্তমান দামে কুলের উৎপাদন খরচই উঠছে না বলে দাবি কৃষকদের।

কুলের মতো কমেছে থাই পেয়ার দামও। ৮০ থেকে ৯০ টাকার পেয়ারা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। লোকসানের ভার বইতে হবে পেয়ারা চাষিদেরও। তারা বলছেন, ফল বিক্রি করে উঠছে না বিজ, সার, কীটনাশকের খরচও। ফলে পড়তে হচ্ছে বড় ধরনের লোকসানে।

শহরের কুল ও পেয়ারার ২টি পাইকারি বাজারে প্রতিদিন ৩০০ মণ সরবরাহ হলেও মার্চ মাসের শুরু থেকে সরবরাহ হচ্ছে ৬০০ থেকে ৭০০ মণ। অতিরিক্ত সরবরাহের ফলে দাম কমেছে বলে মনে করেন পাইকারি ক্রেতা ও আড়তদাররা।

গত বছর নাটোর জেলায় ২ হাজার ৬৭১ মেট্রিক টন কুল ও ৫ হাজার ৮১৫ মেট্রিক টন পেয়ারা উৎপাদন হয়েছে। তবে স্থানীয় কৃষি বিভাগ বলছে, চলতি বছর এই ২টি ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে