আতা ইবনে ইয়াসার রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলে কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- (অর্থ) যে ব্যক্তি বাইতুল্লাহর হজ করবে, হজের কাজগুলো যথাযথভাবে আদায় করবে এবং মুসলমানরা তার মুখ ও হাত থেকে নিরাপদ থাকবে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। (মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক, হাদীস : ৮৮১৭)

আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন- (অর্থ) এক ওমরার পর আরেক ওমরা করলে মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহসমূহ মাফ হয়ে যায়। আর হজ্জে মাবরুর (মাকবুল হজ্ব)-এর প্রতিদান একমাত্র জান্নাত। (সহীহ বুখারী, হাদীস : ১৭৭৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস : ১৩৪৯)

জাবির রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন- (অর্থ) হজ্ব ও ওমরাকারীগণ আল্লাহ তাআলার দল। তিনি তাদেরকে ডেকেছেন, তারা সাড়া দিয়েছে। তারা আল্লাহ তাআলার কাছে চায় তিনি তা কবুল করেন। (মুসনাদে বাযযার, হাদীস : ১১৫৩; মাজমাউয যাওয়াইদ : ৫২৮৮)

আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত অন্য বর্ণনায় এসেছে- আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, হে আল্লাহ! আপনি হজ আদায়কারীকে ক্ষমা করে দিন এবং সে যার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে তাকেও ক্ষমা করে দিন। (সহীহ ইবনে খুযাইমা, হাদীস : ২৫১৬; মুসতাদরাকে হাকেম, হাদীস : ১৬৫৪)

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে