স্বত্তা
কামরুল হাসান সোহাগ

শ্মশানে পুড়ছে শত শত লাশ
আধা পোড়া লাশ।
ক্ষনে ক্ষনে ভাসে নদীর জলে
হরিপদ, কালীপদ, নিরঞ্জন।
গলিত লাশ যায় মিলে মিশে
নদীর পাড়ে হয়েছে কবর
নিত্য নতুন শব যাত্রার খবর।
শত শত নতুন কবর
সোলেমান, ফরমান, গফুর ফকির।
কত নাম না জানা কবর
ভাংগে শ্মশান ঘাট
ভেংগে যায় পুরাতন কবর।
হরিপদ কহে ‘বন্ধু গফুর,
তুমি আমি কত দিয়েছি যে দৌড়
দুবন্ধু গলায় হাত রেখে
নতুন দুর্বাঘাস গজিয়ে ওঠা
সেই বরাবর চকচকে নতুন চর’
গফুরঃ ‘দুবন্ধু সর্বদা একসাথে’।
হরিপদঃ ‘শৈশব কখন যে গিয়েছে কেটে
নোনাজল, কাঁদা গায়ে মেখে
বাংলা মায়ের কোলে’।
গফুর বলে ওঠে ‘ রাখাল বয়সে নাংলা গরুর চাটি খেয়ে, কেঁদেছিও একসাথে
তবুও খুশি তুমি আমি
গিয়েছি মিশে এই মাটি জলে’।
একত্রেঃ ‘ তবুও তো একসাথে দুজনে মিলে
বাংলার মাটি বাংলার জলে
জুড়িয়ে অধর ফুল আর ফলে
বেলাশেষে ভরিয়ে আঁখি ছলছলে জলে
পড়েছি ঢলে বাংলা মায়ের কোলে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে