ইকবাল আহমেদ লিটন: মিথ্যা তথ্য দিয়ে যে সমস্ত ঘৃণিত চাটুকার ও তাদের প্রভুরা ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন, কালো আধারে বেড়ে উঠা রক্তচোষা মুখোশধারি জামাত শিবিরের গোষ্ঠীরা যারা এখন হাইব্রিড আওয়ামী লীগ সেজে আওয়ামী লীগের মূলধারার নেতাদের বিরুদ্ধে উষ্কানি আর অপপ্রচারে নেমেছেন তাদেরকে জানাই ধিক্কার। এ যেন সভ্য দেশে এক অসভ্যতার প্রতীক৷ যারা অসত্য কথা বলে কেন্দ্রীয় ও জাতীয় এক নেতাকে ৫’ই জুলাই রবিবারে জুম মিটিংয়ে ধোকা দিয়ে ডেকে এনে এক বিব্রত অবস্থায় ফেলে দিয়েছে এদেরকেও আমরা আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগ বিচারের দাবি জানাই৷ স্পেনের অর্ধউন্মাদ এক লোক মাতালের মতো রাস্তায় হেঁটে হেঁটে আমাদের নেত্রীকে নিয়ে পাগলের প্রলাপ বকেছেন এবং মাননীয় নেত্রীকে নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সে অপমানকর কথা বলেছেন এতেকরে, এই মানসিক ভারসাম্যহীন লোকটি আমাদের নেত্রী ও সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সম্মানক্ষুন্ন করার চেষ্টা করেছেন যা ক্ষমার অযোগ্য বলে দৃশ্যমান। এরা কখনো আওয়ামী লীগ হতে পারে না৷ আবারও প্রমানিত হলো এসব লোকেরা আওয়ামী লীগের মুখোশধারী জঞ্জাল ছাড়া বৈ কি। সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কারা কারা হাইব্রিড জামাত শিবিরের এজেন্ট হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে তা সুস্পষ্ঠ প্রতিয়মান৷
সে যাইহোক, এর পূর্বেও দেখা গিয়েছে এদের অপতৎপরতা। নেত্রী যখন স্পেনে সর্বশেষ ২০১৯ সালে এসেছিল তখনও দেখেছি এদের ভয়াবহতম অপতৎপরতা। আমরা সকলেই তাদেরকে চিনি এরা মানুষের মতো দেখতে হলেও এরা আসলে মানুষ না। এসব জঞ্জালদের সর্ব ইউরোপের সবাইকে চিনে এবং জেনে রাখার জন্য উদাত্ব আহবান করছি৷ যাইহোক, এখন আপনারা বলেন কারা আওয়ামী লীগের মূলধারার রাজনীতি করেন আর কারা আওয়ামী লীগের মূলধারার বাহিরে রাজনীতি করেন? আপনাদের নিকট আবারও প্রশ্ন করলাম যারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানে না তারা কি করে আওয়ামী লীগার হয়? আমার ব্যক্তিগত মতে এরা হচ্ছে আওয়ামী লীগের মুখোশ পরিহিত ধান্দাফিকির ও অনৈতিক উপায়ে বানিজ্য করার গোষ্ঠীসংবলিত একঝাক পঙ্গপাল৷ এসকল ইউরোপে বসবাসরত পঙ্গপাল গুলো সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগকে বেকায়দায় ফেলে তাদের স্বার্থ হাসিল করাটাই হচ্ছে এদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য৷ এদের থেকে সকলে সাবধান ও হুশিয়ার। এরা আওয়ামী বিরোধী মোস্তাক গংদের বংশধর৷ মাননীয় সংসদ সদস্য আব্দুর সোবাহান গোলাপ সাহেবকে সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই তার সুদৃঢ় অবস্থান সুন্দরভাবে পরিস্কার করে দেয়ার জন্য৷ এরপরও কিছু বোঝার বাকি থাকে বলে আমার মনে হয় না যে এরা কারা যাদের মধ্যে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি ছাড়া আর কিছু? যেখানে আইনের ধারা অনুযায়ী সংবিধানে সুস্পষ্ট ভাষায় গঠনতন্ত্রে লেখা আছে যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের ২৫ এর “ঘ” ধারামতে শুধুমাত্র সভাপতির নিদের্শেই সাধারণ সম্পাদক দলের যেকোনো ধরনের সভা ডাকবেন৷
সেখানে আমরা কি দেখতে পেলাম এই প্রশ্ন আপনাদের কাছে রেখে গেলাম৷ আবার লন্ডনে এক আওয়ামী লীগ নেতা বড় পদে বসে থেকে নিজেকে হনুমান লংকার রাজা মনে করেন। বয়স তার ৮০/৮৫ কিন্তু নিজেও জানে না সে একজন বাতিল মাল হিসাবে সমাজে অগ্রহনযোগ্য ব্যাক্তি৷ তারপর দেখেছি তার কমিটি বানিজ্য, স্কট বানিজ্য, সুট বানিজ্য, আর দুর্নীতি, চুরি, ছেচড়ামির কথা নাই বা বললাম৷ তবে তিনি টাকার জন্য সবকিছুই করতে পারেন৷ এককথায় উনি তরল পদার্থ যে পাত্রে রাখা হয় ঠিক সেই পাত্রের রুপ ধারণ করেন তিনি৷ আরেকজনের কথা বলি, উনি বাংলাদেশে থেকে কি করে ইউরোপের রাজনীতির প্রতিনিধিত্ব করেন এটা আমার বোধগম্য নয়৷ শুনেছি প্রবাশীরা দেশে গেলে নাকি ওমুক মন্ত্রী, তোমুক মন্ত্রীর সাথে এবং আপার সাথে দেখা করিয়ে দেবে বলে বেইলি রোডে কফি খাওয়ার দাওয়াত দিয়ে প্রবাসীদের পকেট কাটা’ই নাকি তার বড় ধান্দা? এই যদি হয় বাস্তবতা তাহলে, এদেরকে কোন পাল্লায়, কোন আওয়ামী লীগ বলবেন? আমরা এই সমস্ত চিটার বাটপার আর ধান্দাবাজদেরকে সর্ব ইউরোপ আওয়ামী লীগ নিয়ে নাক গলাক তা আমরা প্রবাসী আওয়ামী লীগাররা দেখতে চাই না৷ এদেরকে প্রতিহত করাই প্রতিটা মুজিব আদর্শের নেতাকর্মীর দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে আমি মনে করি৷
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিচক্ষণতায় সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের গুরু দায়িত্ব দিয়েছেন নেত্রীর আস্থাভাজন এম এ নজরুল ইসলাম ও মুজিবুর রহমান সাহেবকে৷ এদের নেতৃত্বে সুন্দর, নির্মল ও সুসংগঠিতভাবে এগিয়ে যাবে সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ এবং সেটাই হচ্ছে৷ এম এ নজরুল ইসলাম ও মুজিবুর ভাইকে বেকায়দায় ফেলার জন্য ওরা এহেন ষড়যন্ত্র করেননি যে বাদ রেখেছে। সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সফলতা অনেকেই মেনে নিতে পারছেনা বলেই আজ এই অপপ্রচার ও পাগলের প্রলাপ বকে যাচ্ছেন তবে সেই আশার গুড়ে বালি৷ এদেরকে প্রতিহত করতে আমাদের যা যা করার দরকার আমরা সবাই তাই-ই করবো। আমরা আছি, ছিলাম ও থাকবো জননেত্রী শেখ হাসিনার মাতৃছায়াতলে। পরিশেষে, আমি বিনীতভাবে সবাইকে বলতে চাই, আসুন আমরা সবাই মুলধারার রাজনীতি করি এবং সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধের স্বাধীনতা বিরোধী সকল আগাছা আর পরগাছা উপড়ে ফেলে বঙ্গবন্ধু’র আদর্শে শেখ হাসিনার হাতকে আরোও শক্তিশালী করি সমেত বিএনপি জামাত শিবিরের এজেন্ডা প্রাত্যাখান করি৷
লেখক: ইকবাল আহমেদ লিটন সদদ্য সচিব, আহ্বায়ক কমিটি আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে