টাচ নিউজ ডেস্ক: খুচরা বাজারে পেঁয়াজের মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার কথা চিন্তা করছে সরকার।

বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের একথা কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার, আমরা একটা ব্যয়ের হিসাব পেয়েছি, কিছু নষ্ট হতে পারে এর সঙ্গে মুনাফা ধরে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

দেশি ও আমদানি করা পেঁয়াজের মূল্য নির্ধারণ পৃথক করা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুইরকম নির্ধারণ করা তো যাবে না। এক রকমই করতে হবে। হিসাব করে আলোচনা করবো; কি পরিমাণ দাম নির্ধারণ করে দিলে ভাল হয়।

মন্ত্রী বলেন, ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেওয়ায় এর প্রভাব পড়তে দেরি হওয়ার কথা থাকলেও দাম বাড়ানোর সুযোগ নেওয়া হয়েছে। আমদানি পেঁয়াজ ভারত থেকেই বেশি আসতো। ভারতেও বর্তমানে দাম বেশি।

তিনি বলেন, বুধবার সকালে টেকনাফ বন্দরে ৪৮৩ টন পেঁয়াজ ঢুকেছে। আরও চার থেকে ৫০০ টন ঢুকবে। পেঁয়াজ আমাদিন শুরু হয়েছে এবং বেশি লাভ করলে ৬০ টাকার বেশি দাম হওয়া উচিত নয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সব সময় বিদেশি পেঁয়াজের চেয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম বেশি থাকে। এই ব্যবধান ৫ থেকে ৭ টাকা বেশি থাকে। স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদিত পেঁয়াজের দাম বাড়নোর কথা নয়, সেটা তো দেশেই থাকে। সব বিবেচনা করে একটি যৌক্তিক দামে আসতে হবে যাতে এই দামে সবাই নিতে পারেন।

দাম নির্ধারণের কবে নাগাদ হতে পারে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, দু’তিন দিনের মধ্যে। আজ যে পেঁয়াজ আসবে, জরুরিভাবে এই পণ্যটি আসলে বাজারে প্রভাব পড়বে।

পেঁয়জের দাম সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে খুব দ্রুত আনা যায়। ল্যান্ডেড কস্ট ৪২ থেকে ৪৩ টাকা ঢাকায় আনার খরচ লাভ নিয়ে ৫৫ টাকার বেশি হওয়া উচিত নয়।

তিনি জানান, সরকার ৪৫ টাকা করে টিসিবির মাধ্যমে পেঁয়াজ বিক্রি করছে। টিসিবি ৬০ টাকা কিনে ভর্তুকি দিয়ে বিক্রি করছে যাতে সাধারণ মানুষ সুবিধা পায়।

মন্ত্রী বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ হবে চিন্তাও করিনি, এটার ওপর কারও হাত নেই। তবে এখন দেশে ৭ থেকে ৮ লাখ টন বেশি উৎপাদন করতে হবে। এসময় ভোক্তাদের সচেতন হওয়ার পরামর্শও দেন তিনি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে