রাজু আহমেদ মোবারক:
“You have brains in your head.You have feet in your shoes. You can steer yourself Any direction you choose.”— Dr. Seuss
আমরা সবাই পরিবর্তন চাই- যা আমাদের পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষায় ও স্বাস্থ্য – উপযুক্ততার পরিবর্তন যা উন্নত জীবনের পরিবর্তন। সুন্দর জীবন ও ভাল মানুষ হওয়ার পরিবর্তন। যা জীবনের সৌন্দর্য ও মাধুর্যের প্রয়োজনে আমরা আমাদের মনকে খুজি, যে মন আমাদের প্রতি দিনের ভাল লাগার মধ্যে শান্তির পরশে সুখ দিবে। আমরা জীবনে যা কিছুই চাই তা তো মূলতঃ আমাদের মনের সুখের জন্য চাই। আমরা অন্তরে মনোরম থাকতে যেমন চাই,সেই সাথে আমাদের মননের বিকাশও চাই।কিন্ত আমাদের সুখের কাজ তো আমাদের মনই করে। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের মনকে আসল জায়গায় স্হির করতে না পারি সুন্দরের পথে উঠে সুন্দর কাজ করা কঠিন। সত্যই সুন্দরের সন্ধানে সত্যাশ্রিত মানুষ যেন আমাদের জীবন যুদ্ধেও থাকতে পারি। অস্থির মন নিয়ে চাইলেও সুস্হির কাজ সুন্দরের আদলে করা ভীষণ কষ্টের। আমাদের মনের অজ্ঞতা দূরীকরণে অন্তরের ঘনিষ্ঠতা আমাদের অন্তরের জন্যই প্রয়োজন। আমাদের মনের সাথে যদি মননের অনুরনণ না ঘটে, মনের সাথে মন নিজেই নিজের ঘনিষ্ঠতা করতে পারে না। মন যদি সুনির্দিষ্ট ও সুনিশ্চিত ভাবে স্থিরকৃত না হয় মনই তার নিজের মনকেও অনুসরণ করে না। আমাদের এই মনের অজ্ঞতা দূর করে যদি আমরা প্রজ্ঞাবান হতে চাই, মনকে মনের ভেতর বিকাশ ঘটিয়ে সামনের পথে যেতে হয়। আমাদের জীবনের জন্য আমাদের নিজের অন্তরে একাগ্রতা অন্তর্গত করা না গেলে আমরা একমুখী হতেই পারি না। জীবনের জন্য মনের একাগ্রতা ও একমুখীতা শক্তির প্রবল উচ্ছ্বাস উদ্রেক করে অন্তরের ভেতরে। মনের ভেতরেই মনকে পরিভ্রমন করে সারাক্ষণ শুধুই সবল রাখতে হয়। আমাদের মনের অনুসন্ধানেই আমাদের জীবনকে খুজে পাই। আমাদের মনকে যদি মনের ভেতরে ধরে বুঝতে না পারি, আমরা নিজেরাই নিজেদের মনের ভেতর আরোহণ করতে পারি না। আমাদের দূর্বল মন কখনোই

সত্য সুন্দরের সন্ধানে থেকে জীবনের জন্য অনুসন্ধানী হতেই পারে না। অযোগ্য ও অস্থির মনই অযোগ্য মানুষ তৈরী করে সমাজ, রাষ্ট ও পৃথিবীর জন্য। কোন পরিবর্তন আমাদের জীবনে আনয়নে আমাদের অন্তরের পরিবর্তন প্রয়োজন। মননে সৌন্দর্যের মাধুর্য ও মনুষত্ব প্রয়োজন। আমাদের অন্তরের ভেতর সৌন্দর্যের পরিবেশ রয়েছে যা আমাদের অন্তরে লালন করে চলি। আবার অন্তরের ভেতর নিষ্ঠুরতার পরিবেশ রয়েছে তাও আমরা লালন করে চলি। যা দ্বারা এই পৃথিবীর মানুষেরাই পৃথিবীর সৌন্দর্যকে শুধুই নষ্ট নয়, মানুষের জীবন নাশ শুধু করেই যাচ্ছে। এই অসুন্দর মানুষের স্পর্শে যারাই অন্তরে স্পর্শের ছোঁয়া লাগিয়েছে পরিবার, সমাজ, রাষ্টে ও পৃথিবীতে, তারা বিভিষিকাময় অবস্থানে দাঁড় করে দিয়েছে মানুষকে। তাদের মনের ভেতরে সুন্দর চেতনা উদয়নের লক্ষণ একেবারেই পরিলক্ষিত হয়নি। তাদের এই নষ্ট মনের নষ্টতা কখনোই মন থেকে তিরোধান হয় না। তাদের মনে মনুষত্ব জন্ম নিবে, তারা ভালবাসার মানুষে পরিণত হবে, কোন মানুষ তা এখনো আর বলার যোগ্যতা রাখে না। যাদের বলার যোগ্যতা আছে তারা কখনোই বলবে না। কারণ, তারাই পৃথিবীর সৌন্দর্য-মাধুর্য সব নষ্টতার দিকে ধাবিত করে সবই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনার ধারাবাহিক চেষ্টা করে যাচ্ছে। এই ঐক্যহীনতার মাঝে যারা কিছুটা প্রজ্ঞাবান, তারা তাদের নেতৃত্ব শুন্যতার কারণে, তাদের বেহাল অবস্থা দেখে করুণতা প্রকাশ ছাড়া অন্য কোন কিছু বলার যেন ভাষ্য নেই। সঠিক মনের স্হিরতা এবং সঠিক নেতৃত্ব যে কোন জাতির ঐক্য সৃষ্টির জন্য জরুরী যা দিয়ে জাতিকে জাগ্রত করে শৃঙ্খলায় আনা যায়।
2)
“Death isn’t the great loss in life. The greatest loss is what dies inside of us while we live”. — Norman Cousins
আমাদের মনই স্হির করে দেয় আমরা কোন ধরনের মানুষ হতে চাই। ভাল ও উপযুক্ত মানুষ হওয়ার জন্য মনের স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। আমাদের প্রজ্ঞাবান মানুষে পরিণত হওয়ার জন্য সুন্দর মন অন্তরে প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। যে প্রজ্ঞা দ্বারা মানুষের কল্যাণ সাধন হয়েও হয় না, যে প্রজ্ঞাবান মানুষেরা অন্য মানুষের কল্যাণ করেও করে না, তারা সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রজ্ঞাদাস এবং একই সাথে আজ্ঞাদাসও বটে।

প্রজ্ঞাবান যারা, তারা যেন প্রজ্ঞা শব্দটির যোগ্যতা অন্তরে সুন্দর অনুভূতি নিয়ে বহন করে চলেন। কারণ,পৃথিবীতে শব্দ-মুল্যের বাজার আছে। এর ভালই কদর আছে। প্রজ্ঞাবান যিনি তিনিও পৃথিবীর বাজারে অনেক মূল্যবান। পৃথিবী নিজেই একটি বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন প্রজ্ঞাবান মানুষ সম্মানিত থাকেন। তারা যেন যোগ্যতার সহিত স্হির হয়ে মানুষের মাঝে কল্যাণ মুখী কাজ করে
বেঁচে থাকেন, মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নয়। আমাদের মন চলার জন্য মনের গতিপথ রয়েছে। সেই পথে চলতে অবরোধ যদি আমরা নিজেরাই তৈরী করি, জীবনের পথরোধ হওয়াটাই তখন স্বভাবতঃই স্বাভাবিক হয়ে যায়। আমরা যখন আমাদের নিজেদের মনের কথা নিজেরা অন্তরে ধরে-বলতে পারি, নিজেই নিজেদের বুঝতে পারি, নিজেই নিজেদের দ্বারা চলতে পারি, তবেই যে আমরা আমাদের অজ্ঞতা দূরীকরণ করে প্রজ্ঞাবান হওয়ার পথে উঠার উপযুক্ত হতে পারি। আমাদের অন্তরে দুইটা তার রয়েছে। একটা তার একেবারেই ত্যাগের কথা শুধুই বলে, আর একটা তার শুধুই ভোগের কথাই বলে। আর এই প্রজ্ঞাবান মানুষের একটা তার শক্তির কথা, বিকাশের কথা, জীবনের কথা, কল্যাণের কথা বলে। অন্যের বাগানে ফুল ফুটাতে চায় এই তারটি। অন্যের ফুল বাগানের সৌন্দর্যের রুপ দেখে তার নিজের মনকে আনন্দে আনন্দিত করে সারাক্ষণ মুগ্ধতায় মন ভরে নিতে চায়। আমাদের অন্তরের চরিত্র আছে। আমাদের মন ও আবেগকে যখন ভাল কাজ করার মাধ্যমে মনোরম রাখি, তখনই আমরা অন্তরে নমনীয় থাকি। সেই সাথে অনুভূতির প্রকাশ সকল ক্ষেত্রেই মাধুর্যের আর অন্তরের মনে হবে। আমাদের প্রাণমন যখন সুস্হিরতার মধ্যে থাকে মন তখন কঠিন হয় না । মন যখন কঠিন হয়ে যায় নিষ্ঠুর কাজ করতে করতে মনের মায়া মাধুর্য সবই মনের ভেতরেই মৃত্যু ঘটে। মানুষ যখন সত্য সুন্দরের সন্ধানে থেকে সত্যাশ্রিত মানুষ হওয়ার জন্য ক্রমাগত সুন্দরের সাথে নিয়মিত নিজেকে সংযোজিত রাখেন, মনের ভেতর নিষ্ঠুরতার পরিবেশ তৈরির স্হান পায় না। কারণ, মন তখন সুন্দর কাজ করার জন্য নিরলস চেষ্টাই করে। মানুষের নিষ্ঠুরতার রুপ বা তার ধরন আছে। এর রুপের কাঠামো যদি অগ্নিকাণ্ডের মত আকার ধারণ করে, আমরা যতই প্রজ্ঞাবান, জ্ঞানী হয় না কেন, আমরা পৃথিবীর উচ্ছিষ্ট মানুষ ছাড়া আর কিছুই নয়। মানুষের প্রজ্ঞা, জ্ঞান যদি মানবিক রূপ ধারণ না করে, তা যে শুধুই নিষ্ঠুরতা। যা মানুষের জন্য কল্যাণের, সুখের, সুন্দরের, সত্যের তা-ই হতে পারে প্রজ্ঞাবানদের কাজ। কখনো কখনো প্রজ্ঞাবানদের স্থিরকৃত মনও থাকে না। তাদের লোভাতুর মানসিকতার আসক্তি ব্যাপক আকার ধারণ করার
কারণে নিজেদের মনকে সংযমে রাখা বড়ই মুস্কিলে পড়েন। আমাদের মন যদি মস্তিষ্ককে পরিচালনার দায়িত্ব না নেয়, তাহলে সে মনই মনের সৌন্দর্য চর্চার দায়িত্ব নিতে পারে না। আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রজ্ঞাবান মানুষ যেন প্রজ্ঞার মূল্যায়ন করে চলেন। এবং তাদের নিজেদের প্রজ্ঞা যেন অন্যদের কাজেও আসে।
3)
“You have removed most of the roadblocks to success when you know the difference between motion and direction”— Bill Copeland
তোমরা-আমরা কোন ধরনের মানুষ হতে চাই জীবনে, তাও আমাদের মনের জিজ্ঞেসের আলোকে নিজেরাই নিজেদের জন্য তৈরী হই আমাদের প্রতি দিনের কাজের দ্বারা। কেউ কেউ জীবনে একেবারেই দায়িত্ববান ও নিঃস্বার্থবান মানুষ, আবার কেউ কেউ নেহাতই স্বার্থপর, লোভাতুর, ক্ষতিকর ও আত্নকেন্রিক মানুষ। এদের কেউ কেউ এক সাথে, এতকাল, এত কাছে, বাস করার পরও কাজেও আচরণে এমন নিষ্ঠুরতার পরিচয় দেয় যে, অতীতের বিশ্বাসযোগ্য সুন্দর মনটির উপর বিশ্বাস হারানোর যাতনা যেন প্রাণের উপরই আরেক কষ্টের অনুতাপ। যাতনার তাপে তাড়িত হয়ে কেবলই ঐ বিশ্বাসযোগ্য মানুষের প্রতি ঘৃণার বহর অন্তরেও চাপ সৃষ্টি করে। আমরা পরিবার, সমাজ ও রাষ্টকে দিতেও চাই, আবার পেতেও চাই। দিতে দিতে যখন পেতে শুরু হয়ে যায় সে পাওয়া যে আর কখনোই বন্ধ করা যায় না। কারণ, সে পাওয়া যে সকলের হয়ে তোমার কাছেই আসে। সে পাওয়া আমাদের চিরকালের, এ যে অশেষ । কিন্ত আমরা নিজেদের যখন অন্তরে নিঃশেষ করে ফেলি, যখন নিজেদের অযোগ্য করে ফেলি, তখন নিজেদের উপর নিজেরাই আশ্বাস রাখি না। বিশ্বাস হারিয়ে ফেলি নিজেদের জীবনের উপর, নিজেদের চিন্তার উপরও। আমাদের দায়িত্ববান মানুষেরা নিজেদের মনের মনুষত্বকে এমন ভাবে হীন করে রাখি, তখন মনকে জিজ্ঞেস করারও মন পাই না, যার ভেতরে পরিভ্রমন করে জীবন চালিত

করার পথে আরোহণ করতে পারি। আমাদের মনের স্হিরতা ও জ্ঞানার্জনের উন্নত মানসিকতা যা আমাদেরকে পরিবারে, সমাজে ও রাষ্টে মানবিকতার দিকে ইঙ্গিত প্রদর্শন করে সত্যাশ্রিত মানুষে পরিণত করে, তবেই আমরা প্রজ্ঞাবান মানুষ। নিজের মাঝে, নিজের ব্যক্তিত্বে, প্রজ্ঞা লুকিয়ে রেখে মানুষের কোনই কল্যাণে আমরা না লাগি, সেটা তো আমাদের জীবনে অর্জন নয়। তুমি কি জান তুমি কখনোই অন্য লোকের কোনই কাজের সমালোচনা করার যোগ্যতা রাখ না, যদি তুমি তার চেয়ে যোগ্য লোক না হও। সে যা করতে অপারগ তা তুমিই করে তার চেয়ে ভাল কিছু করে তাকে উপহার দাও। নতুবা চুপচাপ থেকে তার কাছ থেকে শিখে একটু শিক্ষিত হও। তাতে তোমার নিজের পরিবারের যেমন ভীষণ উন্নতি হবে, সমস্ত জাতিরও কল্যাণের কাজে আসবে। প্রজ্ঞাবান মানুষ কে না হতে চায়? তবে অন্য মানুষের জীবন নাশ আর তাদের চলার পথে বাঁধা দিয়ে প্রজ্ঞাবান মানুষ হওয়া নয়। আমরা যেন সত্য সুন্দরের সন্ধানে থেকে শৃঙ্খলিত মানুষ হয়ে প্রজ্ঞাবান মানুষ হই। আমরা যদি আমাদের প্রজ্ঞা বিকাশের সাথে আমাদের মনন শক্তির বিকাশ না ঘটাই, সত্য সুন্দরের সন্ধানে থেকে সত্যাশ্রয়ী মানুষ হওয়ার অন্তরের বিচার্য্য শক্তিও হারাতে পারি।
4)
Talent may be a given, but success you must earn.
সত্য সুন্দরের সন্ধানে সত্য পথে উঠার জন্য আমাদের অনুসন্ধানী ও
সত্যানুরাগী মনের প্রয়োজন। এই মনের জন্য আমাদের চিন্তা শক্তির বিকাশ প্রয়োজন। আমাদের মনন, আমাদের চিন্তা ও মস্তিষ্কের শক্তির বিকাশই আমাদের জীবন যা আমাদের যাপিত জীবনের পূর্ণাঙ্গ প্রাণের উচ্ছ্বাস ঘটে। আমরা যেন জীবনের জন্য সময় দিয়ে নিজেকে নিবিষ্ট চিত্বে তৈরী করি। আগে সময়ের প্রয়োজন জীবনের জন্য। কারণ, সময়ের আগে বাঁচার চেষ্টা করলে ঠিক মত বাঁচা যায় না। এমন কি জীবনের জন্য সংসার ও সমাজের প্রয়োজন হয় সেখানেও সৌন্দর্য- মাধুর্য ফুটিয়ে তোলা যায় না। জীবনকে উপলব্ধির মাধ্যমে মুক্ত পথের আলো দেখার জন্য, নিজের চিন্তাকে চিহ্নিত করে নিজের চিন্তার শক্তিতে জীবন ও জীবিকা পরিচালিত করার জন্য, সময়ের কাজ সময়ে করে উপযুক্ত হওয়া। আমাদের ভাল ভাবে বাঁচার জন্য যোগ্যতার প্রয়োজন, আর যোগ্যতার্জনের জন্য সময়েরও প্রয়োজন। জীবনের

জন্য, জীবন চলার জন্য, গতিপথ তৈরীর প্রাণের প্রবাহ না থাকে, জীবন নিজেই বেশ ভারী হয়ে যায়। পাশের মানুষেরা যেন আমার-আপনার জীবন চালিত করার দায়িত্ব নেয়ার সুযোগ যেন না পায়। আমাদের জীবনের সৌন্দর্য, বোধের শক্তির বিকাশ প্রবল করার জন্য নিজেদের আগ্রহ যেন প্রাণের প্রবাহ থেকে না হারায়। আমরা প্রজ্ঞাবান অনেক মানুষকে পরিবারে, সমাজে ও রাষ্টে পেয়ে থাকি, কিন্ত আঁধার দূর করে প্রাণের প্রবাহ সৃষ্টি করে সত্য সুন্দরের সন্ধানে জীবনের সঠিক পথে উঠার, দায়িত্ব নেয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রজ্ঞাবান মানুষ একেবারেই হতে চান না। আমরা সকলেই প্রজ্ঞাবান মানুষের প্রজ্ঞা কাজে লাগিয়ে পরিবার, সমাজ ও রাষ্টের কল্যাণে ব্রতী হতে চাই। আমরা যা অর্জন করি তা যখন সকলের কাজে আসে এবং সকলেই না হোক, অনেকে যখন আমাদের কাজের দায়িত্ব নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য মন তৈরি করেন,হৃদয়াতলে প্রাণের প্রবাহ সৃষ্টি করবে, তবেই যেন আমরা প্রজ্ঞাবান মানুষ হয়ে কাজ করে যাচ্ছি মনন শক্তি বিকাশে।

লেখক:কলামিস্ট,গবেষক ও সমাজ বিশ্লেষক

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে