ইকবাল আহমেদ লিটন: শোষিত, নিপীড়িত, নির্যাতিত একটি জাতিকে বটবৃক্ষের মতো আগলে রেখে চূড়ান্ত স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জন্ম দিয়েছেন বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন দেশের। জন্মেছিলেন টুঙ্গিপাড়ার অজপাড়াগাঁয়ে। হয়েছেন বাঙালি জাতির পিতা। এ মাসেরই ১৫ ই আগষ্ট ঘাতকদের বুলেটেবিদ্ধ হয়ে অকাল মৃত্যুতে মুখথুবড়ে পড়েছিল বাংলার স্বাধীনতা। পবিত্র রক্ত কখনো বৃথা যায়না। আজ সেই স্বাধীনতাকে পুনঃউদ্ধার করেছে জাতির পিতার কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা নামক একটি ফুল, বাংলাদেশের পলি মাটিতে জন্ম হয়েছে। এই ফুলের খুসবু সমগ্র পৃথিবীজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা আনন্দিত, আমরা গর্বিত – এমন ফুল বাংলাদেশে ফুঁটেছে। স্বদেশী স্বাধীনতা উদ্ধার করে বাবার দেখানো পথেই হাটছেন কন্যা। যেখানেই মানবতা বিরোধি কাজ, যেখানেই অত্যাচার সেখানেই তিনি ঝাপিয়ে পড়ে দমন করেছেন কঠোর হাতে। এই কথার যথার্থ প্রমান দিয়েছেন ৭১ এর যুদ্ধকালীন মানবতা বিরোধিদের বিচার করে। ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধকালীন শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে অত্যাচারিত, নির্যাতিত সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়িয়ে হয়েছেন মানবতার মা।

সেইদিন হয়তো বেশি দূরে নয়। শেখ হাসিনা ভূষিত হবেন বিশ্বায়নের মা, সভ্যতার মা হিসেবে। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে হয়েছিল। তবে সেই রাষ্ট্র গড়ার সময় তিনি পাননি। স্বাধীনতার সাড়ে তিন বছরের মাথায় ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধু ঘাতকদের হাতে সপরিবারে নিহত হন। দীর্ঘ ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে একে-একে কর্মসূচি হাতে নেন তার কন্যা দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

“যখন পরিবারের সব আপন মানুষ গুলোকে হারিয়ে প্রায় দিশেহারা দেশরত্ন শেখ হাসিনা, ঠিক তখনই আপন মনে মায়ের ভূমিকায় বুকে টেনে নিয়েছিলেন আইভি রহমান নামক মানুষটি– সেই দুঃসময়ের কান্ডারী আইভি রহমানকেও হারাতে হলো বাংলার মিরজাফর জিয়ার কুলাঙ্গার সন্তান পাকিস্থানের দালাল-ঘাতক জানোয়ারদের গ্রেনেডের আঘাতে–

স্মৃতি তুমি বেদনা, ভূলিতে পারিনা।

-লেখকঃ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, ইকবাল আহমেদ লিটন,সদস্য সচিব,আয়ারল্যান্ড আওয়ামী লীগ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে