টাচ নিউজ ডেস্ক: শবে কদরের আরবি হলো লাইলাতুল কদর বা সম্মানিত রাত। এবার করোনা সংক্রমণের মধ্যে ঘরে থেকেই যথাযোগ্য মর্যাদা এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে মহিমান্বিত এই রজনী পালন করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

হাদিস অনুযায়ী, ২০ রমজানের পর যেকোনো বিজোড় রাতে কদর হতে পারে। তবে, ২৬ রমজান দিবাগত রাতেই লাইলাতুল কদর আসে বলে আলেমদের অভিমত। এই রাতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ হয় এবং এই রাতকে কেন্দ্র করে ‘কদর’ নামে একটি সুরাও নাজিল হয়। তাই, মুসলমানদের কাছে শবে কদর অত্যন্ত মহিমান্বিত একটি রাত।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের মতো, বাংলাদেশের মুসলমানরাও নিজেদের গুনাহ মাফ, এবং অধিক সওয়াব হাসিলের আশায় নফল ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার আর বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে রাতটি অতিবাহিত করেন।

শবে কদরের পরদিন বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটির দিন। এ রাতকে উপলক্ষ করে, রাজধানী ঢাকার মসজিদে মসজিদে ওয়াজ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত হয়। পবিত্র এ রাতে অনেকেই কবরস্থানে গিয়ে স্বজনদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে