টাচ নিউজ ডেস্ক: সাজানো মামলায় হয়রানির শিকার রাজধানীর ডেমরা এলাকার কোনাপাড়ার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন(৪০)। তার গ্রামের বাড়ি লক্ষীপুরের চন্দ্রগঞ্জে। তার বিরুদ্ধে প্রায় পাঁচটি মামলার পরও একাধিক নতুন সাজানো মামলা দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে একটি সংবদ্ধচক্র। ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিকে বাদী সাজিয়ে এসব মামলা দায়েরকারী সংবদ্ধ চক্রের হোতা মোহাম্মদ লিটন। সহযোগী ওয়াসিম, জুয়েল, মোবারক নামের জৈনিক ব্যাক্তি। একই আইনজীবীই লড়ছেন ভিন্ন চার মামলা।

শুধু এতেই থেমে নেই এই চক্র, আনোয়ারকে কোনঠাসা করে বড় ক্ষতির ভয় দেখানোর পর থেকে ভয়, আতঙ্কে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে তাকে। এমনকি তার সন্তানদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে মিথ্যা ও সাজানো এসব মামলায় আনোয়ার হোসেনকে নিয়মিত হাজিরা দিতে হচ্ছে আদালতে। সংঘবদ্ধ চক্রটি তাকে কখনো প্রতারক, শ্লীলতাহানিকারী, চোর-ডাকাত, কখনো আদম ব্যবসায়ী বলে মামলাগুলো করছে তার বিরুদ্ধে।

সূত্র মতে জানা যায়, আনোয়ার দেশে ফেরার পর একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে তার অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নেয়ার ফন্দি আঁটছে সংঘবদ্ধ একটি চক্র। এই চক্র প্রথমে তাকে জিম্মি করে জোরপূর্বক ব্লাঙ্ক চেকে স্বাক্ষর নিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানি শুরু করে। একই পন্থায় তার নামে দেয়া হয়েছে ভুয়া স্টাম্পের মামলাও। অপর এক মামলায় সাজানো বাদী মোসাম্মৎ বৃষ্টি অভিযোগ করে যে হত্যার উদ্দেশ্যে আনোয়ার তাকে মারধর, শ্লালতাহানি করার চেষ্টা করে। তবে প্রকৃত পক্ষে আনোয়ারের বক্তব্য, অভিযোগকারী বৃষ্টিকে তিনি চিনেনই না। এভাবেই একের এক সাজানো মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে আনোয়ারকে, দেয়া হচ্ছে আরো সাজানো মামলার দায়েরের হুমকি।

আনোয়ারের স্ত্রী সোনিয়া বলেন, তার স্বামী আনোয়ার দেশে ফেরার পর একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে তার অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নেয়ার ফন্দি আঁটছে সংঘবদ্ধ একটি চক্র। তারা তাকে কখনও প্রতারক, শ্লীলতাহানিকারী, চোর-ডাকাত, কখনও আদম ব্যবসায়ী বলে একে একে মামলা দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমার স্বামীর বিরুদ্ধে সব মামলাই ভুয়া।

বর্তমানে তার মামলাগুলো আইনি লড়াই মোকাবেলা করতে আসা তার পরিবারকেও হুমকি দিচ্ছে এই চক্র। এতে ভয় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে তার পরিবার। আনোয়ারের পরিবারের দাবি, সংবদ্ধ এই চক্রের ভায়নক নজর থেকে মুক্তি চান তারা।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে