টাচ নিউজ ডেস্ক: দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ভোটার তালিকায় নাম খুজে পাওয়া যাচ্ছে না ১১ নং মরিচা ইউনিয়নের তিনবারের নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান দেবেশ চন্দ্র রায়ের।

আগামী ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে প্রার্থী হতে তিনি ভোটার তালিকা সংগ্রহ করে এটি দেখতে পান। এ ঘটনায় হতভম্ব হয়ে পড়েন সাবেক এই চেয়ারম্যান।

দেবেশ চন্দ্র রায় মরিচা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মহাদেবপুর গ্রামের ধনঞ্জয় রায়ের ছেলে। তিনি বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। বিষয়টি জানার পর তার সমর্থকসহ এলাকার ভোটাররা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান।

জানা গেছে, ১৯৮৭, ১৯৯১ ও ২০০২ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনবার চেয়ারম্যানের নির্বাচিত হন দেবেশ চন্দ্র রায়। ২০১৬ সালে স্বতন্ত্র নির্বাচন করে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ভোট দেন। চতুর্থ ধাপে ইউপি নির্বাচন করার জন্য গত ১৬ নভেম্বর উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে তিনি ভোটার তালিকা সংগ্রহ করেন। পরে দেখেন তালিকায় তার নাম নেই।

বিষয়টি নির্বাচন অফিসে জানালে তার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে অনুসন্ধান করলে দেখা যায়, তার ভোটার স্বত্ব বীরগঞ্জ উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের পরিবর্তে ফুলবাড়ী উপজেলার ৭ নং শিবনগর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে স্থানান্তর করা আছে।

এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে দেবেশ চন্দ্র রায় বলেন, আমার জনপ্রিয়তায় বিরোধী পক্ষ আমাকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দিতেই আমার অজ্ঞাতে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এটি পুরোপুরি অন্যায়। আমি বংশানুক্রমে বীরগঞ্জ উপজেলার ১১ নং মরিচা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তা ছাড়া আমি তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। আমি ফুলবাড়ীতে ভোটার হতে যাব কোন দুঃখে?

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে