রিফাত বিন মিজান প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফেইসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত এগারো জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের আলাকপুরে এ ঘটনা ঘটে।

প্রাথমিকভাবে আহত ব্যাক্তিদের মধ্যে গুরুতর আহত একজনের পরিচয় জানা গেছে সে আব্দুল আলীর ছেলে মহরম আলী, বর্তমানে তার অবস্থা সংকটমুক্ত আর বাকিদের পরিচয় জানা যায়নি। তবে তাঁরা স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

দুই পক্ষের লোকজনকেই তাদের ঘরের আসবাবপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিতে দেখা গেছে। আজ সকালবেলা এক পক্ষ হামলা করার প্রস্তুুতি নিচ্ছে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দার কাছ থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জয়নাল আবেদীনের ছোট ভাই মোসলেম উদ্দিন এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। একই ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য আবদুল আলী ওই পোস্টটি দেখেন। গত ১ সেপ্টেম্বর আবদুল আলীর লোকজন মোসলেম উদ্দিনকে মারধর করেন।

মোসলেম উদ্দিন জানায়, ঘটনার দিন সকালে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তলোন ও কিছু জরুরী কাজ করার উদ্দেশ্য সে শহরে আসে,ফেরার পথে আলাকপুর বাজারে সিএনজি থেকে নামার পরই কিছু লোকজন তার ওপর অতর্কিত হামলা করে বসে, তাকে প্রচন্ডভাবে মারধর করে এবং তার সাথে থাকা আইফোন ১২প্রো ও নগত টাকা ছিনিয়ে নেয়। মোসলেম উদ্দিন সৌদি প্রবাসী। ঘটনার কিছু দিন আগে মোসলেম উদ্দিন ২ মাসের ছুটিতে দেশে আসেন। মারধরের বিষয়টি স্থানীয় ব্যক্তিরা মীমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

এ ঘটনার জেরে বুধবার বেলা দেড়টার দিকে উভয় পক্ষের লোকজন দেশি অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন।

এ বিষয়ে জানার জন্য মুঠোফোনে কল করে ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন ও সাবেক ইউপি সদস্য আবদুল আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী ইবনে আনোয়ার বলেন,আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে