টাচ নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ এশিয়ার ঘনবসতিপূর্ণ দেশ ভারতের পার্লামেন্টে শীতকালীন অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজ। অধিবেশন চলবে আগামী ১৯ দিন।

এবারের অধিবেশনকে সামনে রেখে গত রবিবার (২৮ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হলো সর্বদলীয় বৈঠক। যদিও ওই বৈঠকটি ডেকে নিজেই হাজির ছিলেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর এ বিষয়টি নিয়ে এখন তার সমালোচনায় মুখর হয়েছেন তার বিরোধীরা।

যদিও মোদীর পক্ষে অবশ্য সাফাই গেয়ে বলা হচ্ছে, সর্বদলীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি কোনো ঐতিহ্যের মধ্যে পড়ে না।

এমন এক সময় অধিবেশনটি শুরু হতে যাচ্ছে যার মাত্র দিন কয়েক আগেই ব্যাপক আন্দোলনের মুখে বিতর্কিত তিন কৃষি আইন বাতিলে সম্মত হয়েছিল মোদী সরকার। গতকালের বৈঠকে কৃষকদের দাবি-দাওয়ার বিষয়টিও উঠে এসেছে।

এবার বিরোধী দলগুলোর পক্ষে থেকে কৃষকদের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যকে আইনি স্বীকৃতি প্রদানের দাবিও করা হয়েছে। এছাড়া একটি ঘটনার জন্য স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনিরকেও বরখাস্তের দাবি করা হয়।

রাজ্যসভায় বিরোধী নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেছেন, কংগ্রেস ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের পাশাপাশি তিনটি কৃষি বিল প্রত্যাহার এবং কোভিড-১৯ ম্যানেজমেন্টের মতো বিষয় তুলেছিল। এদিন তিনিও সর্বদলীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

সরকারের পক্ষ থেকে সাফ বলা হয়, আগে এ ধরনের কোনো বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীরা না এলেও নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হাওয়ার পর নিজে উপস্থিত থেকেছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীই এই ঐতিহ্যের শুরু করেছিলেন। সেই কারণে প্রধানমন্ত্রীর এবারের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা সমীচীন নয়। কিন্তু নরেন্দ্র মোদীর এই অনুপস্থিতি ঘিরে দলের ভেতরেই প্রশ্ন তুলছেন অনেক আইনপ্রণেতা।

বৈঠক প্রসঙ্গে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি দাবি করেন, মোদীজি এই প্রথা চালু করেছিলেন, সর্বদলীয় বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও এবার তিনি নিজেই এখানে থাকতে পারলেন না।

এ দিকে বৈঠকে উপস্থিত হয়ে তৃণমূল নেতারা বলছেন, অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, বিএসএফের কাজের পরিধি বাড়ানো এবং পেগাসাস নিয়ে আমরা সংসদে আলোচনা চাই।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে