টাচ নিউজ ডেস্কঃ স্বেচ্ছায় টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটের অধিনায়কত্ব ছেড়েছিলেন বিরাট কোহলি। কিন্তু ওয়ানডে অধিনায়কত্ব থেকে তাকে উপায় না দেখে তাকে সরিয়ে দেয় বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)। এমনকি ওয়ানডে অধিনায়কত্ব থেকেও কোহলিকে নিজ থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছিল বোর্ড। কিন্তু কোহলি তা গ্রহণ না করায় এই অবস্থানে যেতে বাধ্য হয় বিসিসিআই। এক প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করেছে প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (পিটিআই)।

গতকাল বুধবার ভারতের নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে রোহিত শর্মার নাম ঘোষণা করে বিসিসিআই।

টি-টুয়েন্টিতেও তাকে দেওয়া হয় স্থায়ী অধিনায়কের দায়িত্ব। টেস্টে কোহলির অধিনায়কত্ব বহাল থাকলেও আজিঙ্কা রাহানেকে সরিয়ে সহ-অধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করা হয় রোহিতের নাম।

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আগেই এই সংস্করণে অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন কোহলি। তার ওয়ানডে অধিনায়কত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে তখনই আলোচনা চলছিল। ভারতের বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর সেই আলাপ হয় তুঙ্গে।

পিটিআই জানিয়েছে, ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব নিয়ে সুন্দর সমাধানের পথে হেঁটেছিল বিসিসিআই। কোহলিকে ৪৮ ঘণ্টা সময় দিয়ে সরে দাঁড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা না করায় অধিনায়ক হিসেবে রোহিতের নাম ঘোষণা করতে বাধ্য হয় বিসিসিআই।

কোহলির নেতৃত্বে ওয়ানডেতে ভারতের জয়ের পাল্লা ভারি হলেও হতাশার নাম ছিল আইসিসি আসর। ভারতকে কোনো আইসিসি টুর্নামেন্টই জেতাতে পারেননি অধিনায়ক কোহলি। সে কারণে ২০২২ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে রোহিতকেই বেছে নেয় বিসিসিআই।

ভারতের গণমাধ্যমের খবর, সাদা বলের ক্রিকেটে দলের মধ্যে যথেষ্ট কর্তৃত্ব রাখতে পারছেন না কোহলি। এমনকি গত বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে যাওয়ায় দলের কিছু ক্রিকেটারের সঙ্গে তৈরি হয়েছে তার দূরত্ব। সে কারণে কোহলির বিরুদ্ধে অভিযোগও করেছিল কয়েকজন ক্রিকেটার। যদিও এ কথা কখনোই স্বীকার করেনি কোনো পক্ষই।

এদিকে লাল বলের ক্রিকেটে কোহলির নেতৃত্বের উপরই এখনো ভরসা করছে ভারত।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে