টাচ নিউজ ডেস্ক: টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম বলেছিলেন, বাংলাদেশের আমাদের অনেক সমর্থক আছে। মূলত বাবরের সেই কথাটাকে সত্ত্ব প্রমাণ করার জন্যই যেন মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে হঠাৎ পাকিস্তানি সমর্থক প্রচুর পরিমাণে বেড়ে গেল। পাকিস্তানের পতাকা হাতে উল্লাসে মেতে মিরপুরের গ্যালারি ফাটিয়ে তুলছেন বাংলাদেশি দর্শকরাই।

যারা পাকিস্তানের পতাকা নিয়ে মিরপুরের গ্যালারিতে উল্লাস দেখিয়েছিলেন, তারা কেউই পাকিস্তান থেকে আসেননি। দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী কিংবা বিহারী ক্যাম্পের আটকে পড়া পাকিস্তানিরাও নয়। এদের অধিকাংশই বাংলাদেশি। বাংলাদেশের মাটিতে, এ দেশের আলো-বাতাস, পানি খেয়ে বেড়ে ওঠা সন্তান তারা। যদিও শেষমেশ তাদের হাতেই শোভা পেয়েছে পাকিস্তানের পতাকা।

বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান কিংবা ফাখর জামানরা একটি শট খেললে, একটি বাউন্ডারি কিংবা ছক্কা মারলে উল্লাসে ফেটে পড়ছে মিরপুরের গ্যালারি। অথচ খেলাটা হচ্ছে কিন্তু বাংলাদেশের মাটিতে এবং টাইগারদের বিপক্ষে।

প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় ম্যাচেও মিরপুরের গ্যালারির অবস্থা ছিল প্রায় একই রকম। এমন পরিস্থিতি দেখে খোদ পাকিস্তানি ক্রিকেটাররাও বেশ অবাক। তারা বলতে বাধ্য হচ্ছেন- বিদেশের মাটিতে নয়, বরং নিজ দেশের মাটিতে খেলার অনুভূতি পাচ্ছি।

ফাখর জামান বলেছিলেন, মিরপুরে পাকিস্তানের এতো সমর্থক তাদেরকেও বিস্মিত করেছে। আমি বুঝতে পারছি না (এত সমর্থনের কারণ)। ২০১৮ সালেও এখানে এসেছিলাম, তখন এতো মানুষকে আমাদের সমর্থন করতে দেখিনি। সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। মনে হচ্ছে, পাকিস্তানেই ম্যাচ হচ্ছে। উইকেট পেলে বা ভালো শট খেললে বেশ সমর্থন পাচ্ছি। বাংলাদেশের সমর্থকেরাও আমাদের সমর্থন করছেন। বেশ ভালো লাগছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে