টাচ নিউজ ডেস্কঃ প্রতিবেশী দেশ ভারতে করোনাভাইরাসের নতুন ধরণ (ভেরিয়েন্ট) ওমিক্রনের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় দেশের একমাত্র পঞ্চগড়ের চতুর্দশীয় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ভিনদেশী চালক, স্থানীয় শ্রমিক, কর্মচারী ও বন্দর সংশ্লিষ্টদের মাঝে নেই কোন সর্তকতা।

দেশের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ এই বন্দরে করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন ভাইরাস নিয়ে কর্তৃপক্ষের নেই তেমন কোন নজর দারি। এতে করে বন্দরটি রয়েছে বেশ ঝুঁকিতে। তবে এ পোর্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের উদাসিনতায় স্বাস্থ্য বিধিকে উড়িয়ে দিয়েই চলছে আমদানি রফতানি কার্যক্রম। এতে করে করোনার এই নতুন ভেরিয়েন্টের কারণে চরম হুমকির মুখে পড়তে পারে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চার দেশের পণ্য আনা নেয়ায় (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভূটান) পণ্যবাহী ট্রাকের চালক হেলপারদের মাস্ক ছাড়া অবাধে চলাচল করতে দেখা গেছে।

গুরুত্বপূর্ণ এই বন্দরে তেমন নজর দারি না থাকায় আতঙ্কে রয়েছে স্থানীয়রা। যে কোনো সময় করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে এ বন্দর দিয়ে, এমনটি আশংকা করছে স্থানীয়রা। গুরুত্বপূর্ণ এই বন্দর দিয়ে ভিন দেশীরা আসায় মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধি তেমন ভাবে না মানায় যে কোন সময় আক্রান্ত হওয়ার শংকা রয়েছে।

তবে ইতিপূর্বে করোনাকালীন সময়ে শর্ত সাপেক্ষে কঠোর স্বাস্থ্য বিধির এসোপির মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রম শুরু হলেও এখন তা ভেস্তে গেছে। বন্দরে কারো মাঝে করোনাভাইরাসের নতুন ধরণ (ভেরিয়েন্ট) ওমিক্রনের ভয় নেই বললেই চলে। তাই বন্দরে করোনা নিয়ে তেমন কোনো পদক্ষেপও নেই।

অন্যদিকে বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান ও নেপাল চালকরা মাস্ক ছাড়া অবাদে ঘোরা ফেরা করলেও নিজেরা সরাসরি ফাইল নিয়ে ছুটছেন বিভিন্ন দফতরে। দিনভর চারদেশের চালকরা কোনো স্বাস্থ্যবিধি না মেনে মাস্ক ছাড়া ঘন্টার পর ঘন্টা জটলা বেধে থাকছেন বন্দর অফিসের সামনে। তবে বন্দরের শর্তে ভিনদেশী চালকরা স্বাস্থ্য বিধি মেনে নির্দিষ্ট স্থানে থাকার কথা থাকলেও তেমন কোনো নিয়ম কানুন চোখে পরেনি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে