টাচ নিউজ ডেস্ক: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গীকার পূরণে কারিগরি শিক্ষা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার কারিগরি শিক্ষাকে শুরুত্ব দিয়ে প্রাধান্য করে আসছে। আর কারিগরি শিক্ষাকে এগিয়ে নেয়ার জন্য সরকার যাদের দায়িত্ব দিয়েছেন তাঁদের এই গুরু দায়িত্ব কতটা সময় উপযোগী ফলপ্রসু ভূমিকা পালন করছে, নাকি কারিগরি শিক্ষা ব্যাবস্থা ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।মাঝে মাঝেই বিভিন্ন পত্রিকা/অনলাইন পত্রিকায় টিভি চ্যানেলে প্রকাশিত হলেও থামছে না বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তার দুর্নীতির লাগাম। নেই কোন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। যেখানে ভূত ছাড়ানো সরিষাতেই ভূত লুকিয়ে আছে, সেখানে সকল উদ্যোগই ব্যার্থ হয়। উল্লেখ্য কম্পিউটার সেলের সিস্টেম এনালিষ্ট মোঃ সামসুল আলমের দুর্নীতির প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করেন। কম্পিউটার সেল হল একটি গোপনীয় শাখা সেখানেও দুর্নীতির ভান্ডার। সিস্টেম এনালিষ্ট মোঃ সামসুল আলমের বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কান্ডারী খোদ তিনি বিভিন্ন দুর্নীতির সাথে কোথাও পরোক্ষ আবার কোথাও প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। প্রতিবছর এস.এস.সি (ভোক ও দাখিল) এবং এইচ.এস.সি. (বি.এম) পরীক্ষার আগে মোঃ সামসুল আলমের লক্ষ লক্ষ টাকা বানিজ্য করেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কাছে থেকে, অনেক প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রী আছে যে নবম শ্রেনী পাস করার পর আর পড়াশোনা করে না ঐ রেজিট্রিশন নাম্বারের আগের নাম রিপ্লেস করে নতুন করে আরেকটি ছাত্র নাম ঢুকিয়ে সরাসরি এস.এস.সি (ভোক ও দাখিল) এবং এইচ.এস.সি. (বি.এম) পরীক্ষা অংশ গ্রহন করে দেই । এতে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষককেরা লাভজনক ব্যবসা করে আর প্রতি কাজে সিস্টেম এনালিষ্ট নেন ১৫ হাজার টাকার । কিছু রেজী নাম্বার উল্লেখ করা হল যে, নবম ছিল এক নাম পরে দশমে নাম রিপ্লেস করে হয়েছে আরেক নাম যথাঃ প্রতিষ্ঠান কোড হল ঃ ৫৩০৯৫, রেজিট্রিশন নং ৮১৭৩৮২, ৮১৭৩৮৮,৮১৭৪০৫ ৮১৭৪০৪, ৮১৭৪০৩, পরীক্ষ পাশের সন ২০১৯। আরো বহু প্রতিষ্ঠান আছে যা এই ধরনে দুর্নীতির হয় সেই প্রতিষ্ঠানে কোর্ড নাম্বার গুলো দেওয়া হলঃ ৫২০৮৭, ৫২০৬৯, ৫৯০৫৬, ৫৯০৯৭, ৫৩০৮৮, ৫২০৮২, ১২০১৬, ৫৯০৩৮, ৫২১১২, ৫৪১১৩,৪৭০১৮, ১৫০৪০, ১৫০৪৮, ১৬০০১, ১৬০০৩, ২৫০২৮, ২৫০৩০, ২৫০৩২, ২৫০৩৫, ২৫০৩৬, ৫০০৩০, ৫০০২৮, ৫০০২৪, ৫০০২৩, ৫০০২১, ৫০০৩২, ৫০০৩৩, ৫০০৩৪, ৫০০৩৭, ৫০১৩৬, ৫০২০৬, ৫০২০৮, ৫৩০০৩, ৫৩০০২, ৫৩০০৪, ৫৩০০৯, ৫৩০১১, ৫৩০১২, ৫৩০১৪, ৫৩০১৬, ৫৩০১৮, ৫৩০২০, ৫৩০২৮, ৫৩০২৯, ৫৩০৩১, ৫৩০৫২। প্রতি সেসনে ডিপ্লোমার পরীক্ষার আগে মুর্হূতে চলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নামে যে দালাল গুলো হয়েছে তাদের লক্ষ লক্ষ টাকার বানিজ্য। অনেক ছাত্র ছাত্রী রয়েছে ৫ম/৬ষ্ঠ/৭ম পর্ব পর্যন্ত পড়াশোনা করে পরে আর করে না, বিভিন্ন কারনে পড়াশোনা বন্ধ করে দেই বা প্রতিষ্ঠানের খরচ বহন করা সম্ভব হয় না। ঐ রেজিট্রিশন নাম্বারের আগের নাম রিপ্লেস করে নতুন করে আরেকটি ছাত্র নাম ঢুকিয়ে সরাসরি ডিপ্লোমার পরীক্ষা অংশগ্রহন করে দেই, এতে করে প্রতি ছাত্র-ছাত্রী কাছে থেকে ৪০/৫০ হাজার টাকা করে নেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নামে দালালেরা আর সিস্টেম এনালিষ্ট নেন ৩০ হাজার টাকা। কিছু রেজী নাম্বার উল্লেখ করা হল যে, ডিপ্লোমার কিছু রিপ্লেস রেজিট্রিশন নং দেওয়া হল: ৬২৬৬০০ সেসন ১৩-১৪, ৭৩০৪৯৯ সেসন ১৪-১৫ প্রতিষ্ঠান কোডঃ ৫৩০৮২। প্রমান হিসাবে কিছু প্রতিষ্ঠানের কোড নাম্বার দেওয়া হল এই গুলো ভালো ভাবে বিগত বছররে রেজিঃ গুলো চেক করা হোক তা হলে প্রমান মিলে যাবে, ১৩১১৯, ১৩১৪৫, ১৬০৫৭, ১৬১০০, ১৬১১৩, ১৭১০৩, ১৮০৬৫, ২০০৯২, ২০০৯৩, ২০০৯৫,২০০৯৬, ২০০৯৭, ২০১৭৩, ২১১৩৬, ২২০৮০, ২৩০৭১, ২৩১০৪,২৩১০৭, ২৩১১৯, ২৩১৮৯, ২৩০১, ২৩২১৪, ২৪১৬০, ২৫১১৬, ২৫১১৭, ২৫১৫০, ২৫১৫১, ২৫১৫২, ২৬১০৩, ২৬১৫৬, ২৭০৭৪, ৩১০৩৬, ৩৩০২১, ৩৩০৫৩, ৩৩১১৮, ৩৫১৪৩, ৩৯০৯১, ৩৯১১৭, ৪০০২৯, ৪২০৬১, ৪৬০২৮, ৪৮০৩৫, ৪৯০২১, ৫০০০৩, ৫০০৫১, ৫০০৭৭, ৫০০৯৪, ৫০০৯৫, ৫০০৯৭, ৫০০৯৯, ৫০১০২, ৫০১০৫, ৫০১০৬, ৫০১০৭, ৫০১১৪, ৫০১১৬, ৫০১৫৯, ৫০২৩৮, ৫০২৩৯,৫০২৭৬, ৫০৪০২, ৫০৫১২, ৫০৫২৮, ৫২০৩৪, । অনেক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নামে দালাল আছে যে, নবম শ্রেনীর রেজিস্ট্রেশনের সময় সব সিট ফিলাপ করে রাখে। যখন নবমের ফাইনাল পরীক্ষার আগে মুহূতে অনেক ছাত্র ছাত্রী আছে যে সরাসরি নবমের ফাইনাল পরীক্ষা দেবে তখন শিক্ষক নামে দালালেরা ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে থেকে ১০/১২ হাজার টাকা নিয়ে সিস্টেম এনালিষ্ট মোঃ সামসুল আলমের মাধ্যমে নাম রিপ্লেস করে ঐ ছাত্র-ছাত্রীরা সরাসরি নবমের ফাইনাল অংশ করে। এতে করে সিস্টেম এনালিস্ট প্রতি কাজে ৭ হাজার টাকা করে নেন। প্রমান হিসাবে ঢাকার ভিতরে কিছু প্রতিষ্ঠানের চেক করলে সবকিছু প্রমান মিলে যাবে । অনেক ছাত্র ছাত্রী আছে যে (এস.এস.সি) (এইচ.এস.সি.) (ডিপ্লোমার) পরীক্ষার ফরম ফিলাপ করেনি পরীক্ষার আগে মুহূতে এসে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কাছে এসে বলে স্যার আমি পরীক্ষা দেব তখর স্যারেরা ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে থেকে ১০/১৫ হাজার টাকার নিয়ে সিস্টেম এনালিস্ট মাধ্যমে এডমিটকার্ড র্কাড বের করে নেন। এডমিটকার্ড প্রতি ৫ হাজার টাকা করে নেন সিস্টেম এনালিস্ট, এতে করে বোর্ডের লক্ষ লক্ষ টাকা লোকসান হচ্ছে ।
বেশ কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড একটি নিয়ম চালু হয়েছে যে, যে সকল ছাত্র-ছাত্রী জি.এস.সি পাস করা নাই তারা কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মাধ্যমে নবম শ্রেণীতে ভর্তি হলে তাদের জম্ম তারিখ ১৯৯৭ সাল দিয়ে ভর্তি করাতে হবে। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ১৯৯৭ সাল দিয়ে অললাইনে ভর্তি করে পরবর্তিতে সময়ে বয়স কমিয়ে নেন সিস্টেম এনালিষ্ট মধ্যমে এতে করে প্রতি বছরে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সিস্টেম এনালিষ্ট এই কাজগুলো বাংলাদেশের সবগুলো প্রতিষ্ঠানের
শিক্ষক নামে দালালেরা করে থাকে। অনেক ছাত্র-ছাত্রী আছে যে (এস.এস.সি) (এইচ.এস.সি.) (ডিপ্লোমার) পরীক্ষার পাস করতে পারবে না। ছাত্র ছাত্রী প্রতিষ্টানের শিক্ষকদের সাথে যোগারযোগ করে, তখন শিক্ষক নামে দালালেরা ছাত্র-
ছাত্রীদের কাছে প্রতি বিষয় ৫ হাজার টাকা করে নেন সিস্টেম এনালিস্টের মধ্যমে, এতে করে প্রতি বছরে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সিস্টেম এনালিস্ট মোঃ সামসুল আলম। অনেক ছাত্র ছাত্রী আছে যে, এডমিটকার্ড/ রেজিট্রিশন হারিয়ে গেছে তা সিস্টেম এনালিস্ট প্রিন্ট করে দেয়। এতে করে বোর্ডে লক্ষ লক্ষ টাকা লোকসান হচ্ছে আর সিস্টেম এনালিস্টের ব্যাংকের একাউন্ট ভারি
হচ্ছে।

বেসিক র্কোস (৩৬০ ঘন্টা) ২০১৯ সনের পরীক্ষার প্রকাশ হয় ২৫-০৯- ২০১৯ ইং তারিখে এখানে সিস্টেম এনালিষ্টের ফলাফল প্রকাশে ব্যপকভাবে অনিয়ম লক্ষ করা গেছে। তাছাড়াও অনেক প্রতিষ্ঠান আছে পরীক্ষার কয়েক দিন আগের মূর্হতে নতুন করে রেজীট্রিশন করিয়ে দেন সিস্টেম এনালিস্ট মোঃ সামসুল আলম, এতে করে র্বোডের লক্ষ লক্ষ টাকা লোকসান হচ্ছে আর সিস্টেম এনালিস্টের ব্যাংকের একাউন্ট ভারি হচ্ছে। বর্তমানে সিস্টেম এনালিস্ট মাসিক অবৈধ ইনকাম-৪/৫ লক্ষ টাকা কিংবা তার
অধীক। আরো শুনা যায় যে, সিস্টেম এনালিষ্ট তার স্ত্রী তাহার অবৈধ কাজের সাথে জড়িত রয়েছে, তার স্ত্রী ঢাকা এবং
দিনাজপুর/টাংঙ্গাইল/গাজীপুর কয়েকটি নামি দামি ডিপ্লোমার প্রতিষ্ঠানের সাথে পরীক্ষার পাস করার কাজ কন্টাক নেয় এতে করে প্রতি সেসনের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তার স্ত্রী। আরো জানা যায় যে, ঢাকার নামি দামি একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক তার স্ত্রীকে ব্যান্ডের একটি গাড়ি উপহার দিয়েছে। এমনকি সিস্টেম এনালিষ্ট মোঃ সামসুল আলম তিনি একা রাজত্ব করা জন্য সমস্ত কম্পিউটার সেলের পার্সওয়াড তিনি একা ব্যবহার করেন কাউকে তিনি পার্সওয়াড দেয় না। এবং এ সমস্ত কাজে তাকে বরাবরে রক্ষক হিসেবে কাজ করে বোর্ডে আরেক ধাপটি অফিসার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সুশীল কুমার পাল যার বিরুদ্ধে অহরে অহরে দূর্নীতি প্রমান থাকার সত্ত্বেও বার বার কোন এক অদূশ্য শক্তির কারনে পার পেয়ে যায়। এখানে শেষ না সবার মুখে মুখে একটিই
প্রশ্ন উনি কিভাবে এত দীর্ঘ সময় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে আছে? অথচ সরকারী নিয়ম অনুযায়ী কোন অফিসার ৩ (তিন) বছর মেয়াদকাল থাকার কোন নিয়ম নেই সেই জায়গা কিভাবে ৫ পাঁচ বছর অতিক্রম হওয়ার পর বহাল আছে। সিস্টেম এনালিষ্ট মোঃ সামসুল আলম খুব কাছে এক লোক সেই দৈনিক হাজিরা ভিত্তিতে তার সাথে চাকুরী করে তাকে দিয়ে সেই সব কিছু টাকা পয়সা লেন-দেন করে এবং ডিপ্লোমার শাখায় আরো এক জন মহিলা আছে সিস্টেম এনালিষ্ট খুব কাছে লোক ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে