স্টাফ রিপোর্টারঃ
স্ব-ঘোষিত পিডিপি’র মহাসচিব হওয়ার বিষয় ব্যাখ্যা করতেগিয়ে, পিডিপি’র কেন্দ্রীয় নেতা মাকছুদ আলম চৌধুরী বলেন, দলের গঠন তন্ত্রের ধারা উপধারা অনুযায়ী ২০০৯ সালে এম এ হোসেনের পিডিপির সাধারণ সদস্য পদ হারিয়ে ফেলেছে। তার পর থেকে এম এ হোসেনকে পিডিপির মহাসচিব তো দূরের কথা তাকে কখনো প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল পিডিপি’র সাধারণ সদস্য করেননি দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. ফেরদৌস আহমদ কোরেশী। অথচ ২০১৫ সালে ড. ফেরদৌস আহমদ কোরেশী অসুস্থ হয়ে বাক-শক্তি হারিয়ে শয্যা-শায়িত অবস্থায় আছেন। তিনি হাতে কোন লেখা-লিখি করতে পারেন না। ২০১৭ সালে উত্তরার একটি রেষ্টুরেন্টে দূর্নীতির মাধ্যমে কাউন্সিলর বিহীন, নবম ও দশম শ্রেনীর ছাত্র-ছাত্রীকে নিয়ে জাতীয় কাউন্সিল নামে একটি অনুষ্ঠান করে এম এ হোসেন। তার পর এম এ হোসেন নির্বাচন কমিশনে পিডিপি’র একাধিক মৃত নেতা কর্মিদের নাম সংযোজন ও সহি স্বাক্ষর জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে একটি কমিটি জমা দিয়াছেন নির্বাচন কমিশনে। যাহা হাইর্কোটের রীট পিটিশন মামলা নং- ১২৭৩৫/১৭ তে ও জমা দেয়া আছে। গত শুক্রবার ২৩ আগষ্ট ২০১৯ইং তারিখে সেগুন বাগিচায় একটি রেস্টুরেন্ট পিডিপি’র কেন্দ্রীয় নেতা কর্মীরা একত্রিত হয়ে আলোচনা করেন। উক্ত আলোচনায় নির্বাচন কমিশনে, এম এ হোসেন এর নাম ওয়েব সাইডে অন্তরভূক্ত করণ নিয়ে ও সমালোচনা হয়েছে ।

এছাড়াও পিডিপি’র কেন্দ্রীয় নেতারা বলেন, আমরা অচিরেই, পিডিপি’র যে সব নেতা-কর্মীরা মৃত বরণ করেছেন, তাদের উদ্দেশ্যে আমরা আনুষ্ঠানিক ভাবে দোয়া-মাহফিলের আয়োজন করবো বলে আলোচনা অনুষ্ঠান শেষ করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিডিপি’র বাইশ চেয়ারম্যান মফিজুল আলম মন্টু।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে