টাচ নিউজ ডেস্কঃ পল্লীবন্ধু খ্যাত সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পুত্র রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রাহগির আল মাহি সাদ দেশের মানুষের মতো অক্লান্ত কাজ করে যাচ্ছেন। শহরের ধনাঢ্য গণমান্য ব্যক্তি যখন নাইটক্লাব আর বিদেশে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে ব্যস্ত ঠিক তখন পিতার মতোই সাদও  ছুটে বেড়াচ্ছেন গ্রামীণ খাল-বিল, মেঠো পথ ধরে। খুজেঁ বের করছেন বাংলার হত-দরিদ্র মানুষদের, সাধ্যমতো চেষ্টা করছেন তাদের পাশে দাঁড়ানোর।

সাদ এরশাদ ১৯৮৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই সাদ এরশাদের বাবা হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ মৃত্যুবরণ করেন। এর কারণে রংপুর-৩ সংসদীয় আসন শূন্য হয়। শূন্য হওয়া আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন সাদ এরশাদ। ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে তিনি রংপুর-৩ আসনের সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি।

এরশাদপুত্র সাদ এরশাদ সমসময়ই ছিলেন ন্যায়পরায়ন ও পরোপকারী। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তার এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে তার জনপ্রিয়তা অসামান্য। এলাকার উন্নয়ন কিংবা দরিদ্র মানুষের দিকে সাহায্যে হাত বাড়ানোতে সব সময় সাদ এরশাদ তৎপর।

সাদ এরশাদের কারণে রংপুর সদর আসনের অন্তর্ভুক্ত এমন কোন প্রত্যন্ত প্রতিটি গ্রামীন এলাকার রাস্তায় এখন জ্বলজ্বল করে  ষ্ট্রীট লাইট, সৌর বিদুৎ পৌঁছে দিয়েছেন সাধারণ মানুষ গুলোকে অন্ধকার থেকে আলোর পথ দেখাতে, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের শিক্ষার মান উন্নত করতে।

ব্যক্তিগত এক সাক্ষাৎকারে সাদ এরশাদ বলেন, পিতা (পল্লীবন্ধু এরশাদ) এর মতো করেই গ্রামীণ খাল-বিল, মেঠো পথ ধরে হেঠে খুঁজে খুঁজে সাধারণ মানুষের মনের কথা জানতে চেষ্টা করেছি। মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের চাওয়া পূর্ণ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। সাধ্য অনুযায়ী শিক্ষা, ক্রীড়া ও চিকিৎসায় উন্নতি প্রান্তিক অঞ্চলে আনতে সক্ষম হয়েছি। যার সুফল ইতিমধ্যেই মানুষ পাচ্ছে।

তিনি বলেন, আপনাদের সমালোচনার জবাব দিয়ে আপনাদের ছোট করার কোন ভাবনাই আমার নেই। কারন এই
সমালোচনাই আমার এগিয়ে চলার পাথেয়। শুধু বলবো অনেক কথাই হয়তো আপনারা জানেন না বা খালি চোখে দেখতে পারেন না। বিশ্বাস রাখুন আমার উপর। সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করছি পাছে লোকের কথায় দমে যাবো না আমি। আপনাদের পাশে নিয়েই পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অসমাপ্ত স্বপ্নের আধুনিক রংপুর-৩ (সদর) আসন গড়বোই ইনশাআল্লাহ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে