টাচ নিউজ ডেস্ক: বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে অনেক কর্মসূচী ও আইন প্রনয়ন করেছেন।
কিন্তু অনেক কর্মসূচী ও আইন প্রনের ফলেও থামছে না আলী নগর গ্রামের একাব্বর আলীর সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু কর্মকান্ড। একাব্বর আলীর সন্ত্রাসী কর্মকান্ড এতটাই অমানবিক ছিল যে ০৭/০৮/২০০৭ সালে নরসিংদী জেলার ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিন ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩(২) ধারা ও জরুরী ক্ষমতা বিধিমালা, ২০০৭ এর ২১ বিধিতে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে একবর আলীকে ৩০ দিনের কারাগারে আটক রাখার আদেশ প্রদান করেন। রায়পুরা থানায় গ্রামবাসীরা নির্যাতিত হয়ে তাহার নামে অনেক সাধারন ডায়রী করেছিল। ডায়রী নাম্বার গুলো হল ২৬১ তারিখ ০৬/০৩/২০০৭, ডায়রী নং ৪১৯ তারিখ ১০/০২/২০০৭, ডায়রী নং ৪৭৯ তারিখ ১২/০২/২০০৭, ডায়রী নং ৪৯৬ তারিখ ১২/০২/২০০৭, ডায়রী নং ৬০৯ তারিখ ১৫/০২/২০০৭, ডায়রী নং ২৬১ তারিখ ০৬/০৩/২০০৭, এবং পুলিশের নিকট হতে তথ্য অনুযায়ী তার বিরোধে রায়পুরা থানায় একটি মামলা পাওয়া যায় তারিখ ০৯/০৭/১৯৯৪ রায়পুরা থানার মামলার নং ০৪ ধারা ১৪৩/৪৪৮/৩০২/৩২৪/১১৪/৩৪ পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, মোঃ একবর আলী ওরফে একাব্বর আলী সেই দীর্ঘ দিন যাবৎ তাহার সংঘদ্ধ দল ও সহযোগী সন্ত্রাসীদের নিয়ে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে জনজীবন অতীষ্ঠ করে তুলছে।
বর্তমানে একাবর আলীর সন্ত্রাসী কর্মকান্ড আরো ভয়াবহ হয়ে ওঠেছে, ফলে এলাকার নিরীহ ও অসহায় মানুষ তার বিরোদ্ধে কোন প্রতিবাদ এবং আইনগত ব্যব¯’া নিতে সাহস পায় না। সে এতটা দুর্ধর্ষ প্রকৃতির লোক যে, এলাকার অসহায় নিরীহ মানুষের জমি তার নিজের দখলে নিয়ে যায় এবং এলাকার কোন জায়গাজমি বিক্রয় করলে বা বাড়ীঘর নতুনভাবে তৈরী করতে গেলে তাকে চাঁদা না দিয়ে কেউ কোন কাজ করতে পারে না। সে রাজনীতির অন্তরালে থেকে নাশকতামূলক কার্যকলাপ করে এলাকার মাজে অভ্যন্তরীন নিরাপত্তার ক্ষতিসাধন, জন-নিরাপত্তা বিপন্ন ও আইন-শৃংখলা রক্ষায় বিঘœ ঘটানোসহ ক্ষতিকর কাজে জড়িত থেকে জনসাধারনের মধ্যে ভীতি ও সন্ত্রাসের সৃষ্টি করতেছে এবং এলাকার অর্থনৈতিক ক্ষতিসাধনমূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত রয়েছেন।
কিছু দিন আগে একবর আলীর তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে প্রবাসী স্ত্রী মিনা বেগম তাহার বাড়িতে ১২/০৮/২০১৯ ইং সকাল ১২ টা আক্রমন চালার ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দেওয়ার জন্য স্ত্রী মিনারা বেগম রাজী না হওয়াতে তাকে অনেক মার পিঠ করে এবং ২ ভরি স্বর্ন নগদ ৩ লক্ষ টাকা সহ ৫ টি গাভী যাহার বাজার মূল্য ৭ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে যায়, একাবর আলীর এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনীরা পরে তাকে হুমকি দিযে যায় যদি থানায় গিয়ে কোন মামলা করিস তাহলে একবারে মেরে ফেলবো। পরে মিনা বেগম নরসিংদী কোর্টে ১৫-০৯-২০১৯ একটি মামলা দাখিল করেন। মামলা নাম্বার রায়পুরা- সি.আর. ৪১২/১৯, ধারা ৪৪৭/ ৪৪৮/ ৩২৩/ ৩৫৪/ ৩৮৫/ ৩৮৯/ ৩৮০/ ৫০৬(//) রজিত হয়। উদ্ভুত পরি¯ি’তিতে তাহার বিরোধে আইন-শৃংখলা বাহিনীর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ।
ভূমিদস্যু একবর আলীর তার সন্ত্রাসী বাহিনী মোঃ শাহাদাৎ হোসেন কালা মিয়ার ৪ বিঘার জমি জোর করে তার নিজের দখল করে আছে। মোঃ শাহাদাৎ হোসেন কালা মিয়ার বাঁশগাড়ী ফাঁড়ি একটি সাধারণ ডায়রী করেন জি.ডি নংঃ ২১৯ তারিখ ১২-০৭-২০১৮ ইং তারিখ। পরবতীতে এ.এস.আই হেলাল মিয়া তদন্ত করে সঠিক প্রমান সহ নরসিংদী জেলা আদালতে নন এফআইআর প্রসিকিউশন ১০৭/১১৭/ (সি) কাঃবিঃ দাখিল করেন মামলা নং ৮০/১৮। অভিযোগ দাখিল করার পর ভূমিদস্যু একবর আলীর তার সন্ত্রাসী বাহিনী মোঃ শাহাদাৎ হোসেন কালা মিয়াকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হুমকি দেন মামলা তুলে নেওয়ার জন্য, আর যদি মামলা তুলে না নিস তাহলে তোকে এবং তোর ছেলেকে মেরে ফেলবো। পরবর্তীতে মোঃ শাহাদাৎ হোসেন কালা মিয়ার নরসিংদী জেলা কোর্টে একটি মামলা দাখিল করেন, মামলা নং রায়পুরা- সি.আর ৪৫৮/১৮। বর্তমানে মোঃ শাহাদাৎ হোসেন কালা মিয়া তার পরিবার নিয়ে হুমকি মধ্যে জীবন যাপন কাটাছে।
ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী একবর আলীর সে অবৈধ ভাবে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেন সন্ত্রাসী এবং চাঁদাবাজি করে। প্রসাশনের কাছে দৃষ্টি আকর্ষন যে, ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী একবর আলীকে আইনের আওতায় নিয়ে বিচার করা হোক।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে