টাচ নিউজ ডেস্কঃ দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার খ্যাত রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া নৌপথ। যাত্রী ও যানবাহনের পারাপারের জন্য ফেরি ঘাটের পাশাপাশি এখানে রয়েছে লঞ্চঘাটও। এই লঞ্চঘাট ব্যবহার করে প্রতিদিন কয়েক হাজার যাত্রী পারাপার হয়ে থাকেন পদ্মা নদী। কিন্তু এই ঘাটের সঙ্গে সংযোগ সড়কের যে সেতু দুটি রয়েছে সেগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে প্রায় ৭ থেকে ৮ মাস ধরে।

বর্তমানে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটে বালির জিও ব্যাগ ফেলে অস্থায়ী রাস্তা ও উঠা নামার সিড়ি করা হয়েছে। যেটি ব্যবহার করেই প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ লঞ্চ টার্মিনালে প্রবেশ করছেন ও বের হচ্ছেন। এই উঁচু নিচু রাস্তা ব্যবহারে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের। সামনে বর্ষা মৌসুমে রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে উঠলে ভোগান্তির মাত্রা বাড়বে কয়েকগুন। এমনকি ঘটতে পারে দুর্ঘটনাও।

দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট ম্যানেজার মিলন জানান, ‘দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে প্রতিদিন ১৮-২০টি লঞ্চ চলাচল করে। এসব লঞ্চে কয়েক হাজার যাত্রী পদ্মা নদী পারাপার করেন।’

বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ঘাটে যাত্রীদের সুবিধার্থে কাঠ ও লোহার তৈরি আলাদা দুটি ছোট সেতু রয়েছে। কিন্তু গত বর্ষায় নদীভাঙনে সেতু দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে সেতু দুটি। প্রায় ৭ থেকে ৮ মাস পেরিয়ে গেলেও বন্ধ সেতু দুটি মেরামতের তেমন কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হলেও এ নিয়ে কোনো তৎপরতা নেই বিআইডাব্লিটিএ এর মধ্যে।

গোয়ালন্দ উপজেলার নির্বাহী অফিসার আজিজুল হক বলেন, ‘আমি বিআইডাব্লিটিএ কর্তৃপক্ষ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। তারা আমাকে বলছেন লঞ্চঘাটের স্থান পরিবর্তন হবে তাই এই সেতু দুইটি সংস্কার করা হচ্ছে না। তবে, ঈদে যাত্রীদের যাতে ভোগান্তিতে পড়তে না হয় সেজন্য সেতু দুটিকে অস্থায়ীভাবে মেরামত করে অন্তত চলাচলের উপযোগী করার জন্য বলা হয়েছে।’

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে