টাচ নিউজ ডেস্ক: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, মানুষের জীবন যাপনের মান এবং দেশের উন্নয়নে সামগ্রিক পরিকল্পনা করা দরকার।

পরিকল্পনাবিদদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, ‘উন্নত দেশে ১০০ বছরের মহাপরিকল্পনা করা হয়। আমাদের দেশের পরিকল্পনাবিদরা স্বল্প সময়ের জন্য পরিকল্পনা করে থাকেন। আমি আপনাদের বলব জাতীয়ভাবে চিন্তা করে হোলিস্টিক প্ল্যান করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদী ১০০ বছরের জাতীয় পরিকল্পনা করতে হবে।

আজ শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘টেকসই নগর ও বসতি গড়তে পরিকল্পনা’ শীর্ষক নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিষয়ক আর্ন্তজাতিক কনফারেন্স এবং পরিকল্পনাবিদদের জাতীয় কনভেনশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব প্লানার্স(বি.আই.পি) প্রথম বারের মতো নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনার উপর দুই দিন ব্যাপি এ আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের আয়োজন করেছে। সহযোগিতা করছে জাতি সংঘ উন্নয়ন তহবিল (ইউএনডিপ), সেভ দ্যা চিলড্রেন ও ব্রাক।

মো. তাজুল ইসলাম বলেন, শুধু রাস্তা-ঘাট, ট্রাফিক সিগনাল, ভূমি ব্যবহার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এসব বিষয়ে পরিকল্পনা করলে সুষ্ঠ পরিকল্পনা হবে না। মানুষের জীবন যাপনে যেসব চাহিদা যেমন- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, খেলার মাঠ ও পার্ক, রাস্তা-ঘাটসহ সার্বিক বিষয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। যেন নাগরিকরা সকল সুযোগ-সুবিধা খুব সহজে ভোগ করতে পারে।

পরিকল্পনাবিদদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, পূর্বাচল একটা নতুন সিটি। সেখানে এখনো সেভাবে বসতি গড়ে উঠেনি। ওই এলাকায় এখনই যানজট শুরু হয়েছে। আগে দেশের সামগ্রিক পরিকল্পনা করেন। কোন এলাকায় কি কি স্থাপনা হবে এবং মানুষ কিভাবে সুযোগ সুবিধা ভোগ করবে সেটা নিয়ে চিন্তা করুন।

বাংলাদেশ ইনস্টিউট অব প্লানার্সের (বিআইপি) সভাপতি অধ্যাপক ড. একেএম আবুল কালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান, পরিকল্পনাবিদ ও জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ এবং বিআইপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে