টাচ নিউজ ডেস্ক: আয়ুর্বেদ থেকে শুরু করে আজকের স্বাস্থ্য সচেতন সব স্থানে, সর্বত্র যে উপাদানটি স্বচ্ছন্দে জায়গা করে নিয়েছে, তা হচ্ছে আমলকী বা আমলা। প্রতিদিন এক গাদা ভিটামিন ট্যাবলেট না খেয়ে একটি করে আমলকী খান। প্রচুর ভিটামিন-সি থাকে এতে। আরও রয়েছে আয়রন ও ক্যালসিয়াম।

আমলকী মানবদেহের জন্য সবচেয়ে উপকারী ভেষজের মধ্যে একটি। এটি ত্বকের স্বাস্থ্যরক্ষায় ভূমিকা রাখে। আমলকীর রস ফেস মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ত্বকের মরা কোষ সরাতেও এটি অনন্য। পেঁপে, মধু আর আমলকীর মিশ্রণ মুখে কিছু সময় লাগিয়ে রেখে হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। ত্বক তাতে উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

চুলের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে আমলকী। চুল পাকা ও চুল পড়া রোধ করে এটি। অল্প বয়স থেকে ব্যবহার শুরু করলে দীর্ঘদিন চুলের প্রাকৃতিক রঙ ধরে রাখা যায়। খুশকি ও উকুনের আক্রমণ থেকেও রক্ষা পাওয়া যায় আমলকী ও মধুর প্যাকে।

এ ছাড়া আমলকীতে প্রচুর ডায়েটারি ফাইবার থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য ও হজমের সমস্যা দূর করে। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণের কারণে স্কার্ভি, জন্ডিসের মতো রোগ ঠেকিয়ে রাখা যায়। ভালো থাকে লিভারের স্বাস্থ্য, কমে পেটের প্রদাহ, ঠেকানো যায় আলসার ও গলব্লাডারে পাথর জমার সমস্যা। মেটাবলিক রেট বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকর আমলকী। এটি নিয়ন্ত্রণে রাখে ব্লাড সুগারের মাত্রা। কাশি ও গলাব্যথা সারাতে

এক চা চামচ আমলকীর রস, এক চা চামচ আদার রস আর এক চা চামচ মধু মিশিয়ে দিনে দুবার করে খেলেই কমে যাবে কাশি ও গলাব্যথা সমস্যা। হৃদরোগ ঠেকাতেও আমলকী কার্যকর ভূমিকা রাখে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে