টাচ নিউজ ডেস্কঃ ঢাকা কলেজের সামনে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২০ এপ্রিল) বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে এ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অন্তত ১২টি ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

ঢাকা কলেজের সামনে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীরা অবস্থান নিয়েছে। ফলে নীলক্ষেত-সাইন্সল্যাবের উভয় সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে ঢাকা কলেজ ও নিউমার্কেট এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

দুই দোকানের কর্মীদের বিরোধের জেরে গত সোমবার (১৮ এপ্রিল) রাত ১২টার দিকে নিউমার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ হয়। মধ্যরাতে দুপক্ষকে ওই এলাকা থেকে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

এরপর মঙ্গলবার সকালে দ্বিতীয় দফায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নিলে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। সকাল সাড়ে ১০টার পর নীলক্ষেত মোড়-সায়েন্সল্যাব এলাকায় থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে। সন্ধ্যার পরও ঢাকা কলেজ ও নিউমার্কেটসহ আশপাশ এলাকায় চরম উত্তেজনা দেখা যায়।

দুদিনের সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন গণমাধ্যমের ১১ সাংবাদিক, ঢাকা কলেজের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী এবং ২৫ জন পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সংঘর্ষের ঘটনায় নাহিদ (১৮) নামের এক কুরিয়ার সার্ভিসকর্মী মঙ্গলবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এদিকে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনার প্রতিবাদে সরব হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামার ঘোষণা দিয়েছেন। এ অবস্থায় সতর্ক রয়েছে পুলিশ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাতটি কলেজের মধ্যে ঢাকা, ইডেন ও কবি নজরুল ছাড়াও রয়েছে বদরুন্নেসা কলেজ, সোহরাওয়ার্দী কলেজ, মিরপুর বাঙলা কলেজ ও তিতুমীর কলেজ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে