হুসাইন (আ:) কে?
ড. নূরে আলম মুহাম্মাদী

হুসাইন(আ:) কে? তা কি জানো? তাহলে বলি শোন।

হুসাইন নূর! হুসাইন আসমানসমুহ ও যমিনের নূর!
হুসাইনের আলোতে মুছে যায় নূরের সকল খাদ।
আল্লাহু নূরুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্ব।

না, না!!!
হুসাইনের আলোতে আলোকিত হয় আল্লাহর আরশ,
সেখান থেকে কিঞ্চিত আলোতে ধন্য হয়
সামাওয়াত ওয়াল আরদ্ব।

বিশ্ব জগত মহাজগত আর জগতহীন জগত যার আলোতে চলে,
ছায়াপথসমূহ, জগতসমূহ, যার ধ্বনি তোলে,
হুসাইন আমাদের, হুসাইন সকলের,
হর হামেশা যেখানে
ইয়া হুসাইন, ইয়া হুসাইন যিকির চলে।

তাইতো বলি, হুসাইন যমিনী নয়, তিনি আসমানী।
যমিন ও আসমান যার রক্তের কাছে ঋণী।

না, না,!!!

হুসাইন!!!
যমিন ও আসমানের অধিপতি তিনি,
খোদায়ী আরশ তার কাছে, আসমান যমিনের সব কিছুর চেয়ে পরিচিত বেশী।
আসমানী জগতে, খোদায়ী জগতে প্রাণ সঞ্চালন করেছেন যিনি।
তিনি গর্ব সকলের,
আসমানসমূহ ও যমিনের।

যমিন বলে, হুসাইন আমার বুকে দিয়েছে সেজদা, ঢেলেছে রক্ত,
হুসাইন আমার গর্ব।
আসমানসমূহ বলে,
হুসাইনের পথচলা ছিল আমাদের বুকে বেশী,
আমরা দেখেছি, আমরা শুনেছি, হুসাইনের কথা যমিনের চেয়ে আসমানীদের মাঝে বেশী।

আসমানী জগতের সবাই করে গুঞ্জন,
সাত আসমানের প্রতিটি আসমান,
যার নামে হয়েছে নামকরণ।
হুসাইন এক, হুসাইন দুই,
হুসাইন তিন… হুসাইন সপ্তম।
হুসাইন হয়েছে সবার,
হয়েছে সবার আপন।

কারণ, হুসাইনের কাছ থেকেই দেখেছে তারা,
এত বড় ত্যাগ!!!
এত বড় কোরবানি!!!
দিয়েছেন সব, কিছুই রাখেননি তিনি, আল্লাহ ছাড়া।

তাই, আসমানসমূহের গর্ব,
আসমানে উঠেছে রব,
রাহে আল্লাহর, রক্ষা করতে ইসলাম,
দিয়েছেন হুসাইন সব।
তাইতো, আসমানীরা করে
মিছিল, করো শোরগোল, তোলে ধ্বনি,
ইয়া হুসাইন! ইয়া হুসাইন!

 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে