টাচ নিউজ ডেস্ক:
ডেঙ্গু প্রতিরোধে মনিটরিং সেল গঠন করার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শনিবার দুপুরে ফার্মগেট মোড়ে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত ঘোষিত পরিচ্ছন্ন অভিযানের শেষ দিনে তিনি একথা জানান।

তিনি বলেন, আমরা গতকাল (শুক্রবার) ঢাকায় বিএমএ এবং স্বাচিবের নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলেছি। সারা বাংলাদেশ চিকিৎসকদের নিয়ে একটি মনিটরিং সেল গঠনের বিষয়ে কথা হয়েছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের যাতে চিকিৎসা হয়, তাতে কোন অবহেলা হচ্ছে কিনা তার যাতে মনিটরিং হয় তার জন্য সেলটি কাজ করবে। আজ তাদের সাথে একটি বৈঠক রয়েছে। তাতে বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা কথা বলতে চাইনা। অতি কথন থেকে দায়িত্বশীল সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। কথা কম বলে কাজ করতে হবে। মানুষকে বাঁচাতে হবে। মানুষের জন্য কাজ করতে হবে।

একটা আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে মানুষ যাতে ঈদে বাড়ি না। কেন যাবে না বাড়ি যাবে।সবারই ইচ্ছা আছে পরিবার পরিজন নিয়ে আত্মীয় স্বজন নিয়ে ঈদ উৎযাচন করার। সবাই বাড়ি যাবেন। একই সময় কথা না বলে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, আমরা এখানে কথা বলতে আসিনি। আমরা কাজ করতে এসেছি। আজকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ডেঙ্গু প্রতিরোধ সচেতনতা মূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। আজ আমাদের কর্মসচির তৃতীয় দিন।
আজকের পরিচ্ছন্ন অভিযান কর্মসূচির ঘোষিত দিন শেষ হলেও আমাদের কাজ শেষ হবে না। যতোদিন না আমরা ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে পারবো ততোদিন আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। মশার আক্রমণ থেকে দেশের জনগণকে যতোদিন না আমরা রক্ষা করতে পারবো ততোদিন পর্যন্ত এই অভিযান অভ্যাহত থাকবে।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি অনুরোধ করবো যারা কাজ করেনা তারা আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। যারা বন্যাদূর্গতদের পাশে দাঁড়ায় না তারা বন্যাদূর্গতদের নিয়ে রাজনীতি করছে।যতোদোষ নন্দঘুষ। তারা শুধু সরকারের ঘাড়ে দোষ চাপায়। আজকে ডেঙ্গু এবং এডিস মশা প্রতেরোধ করতে সরকার যে তৎপরতা শুরু করেছে এটা তা আমরা লড়াই হিসেবে নিয়েছি।

তিনি বলেন, অনেকে কাজে নেই। আজকে দল হিসেবে রিবোধী দলেরও এখানে দায়িত্ব আছে। তারা কখনো বলে মহামারি কখনো বলে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা হোক। জরুরী অবস্থা তাদেরই ঘোষণা করতে হবে যারা জরুরী সংকটে আছে। যাদের গায়ে দগদগে ঘা, যারা আন্দোলনে ব্যর্থ সবকিছুতে ব্যর্থ, খালেদা জিয়া বন্দির দেড় বছরে দেড় মিনিট ও আন্দেলন করতে পারেনি, যারা রিবোধী দল হিসেবেও ভূমিক পালনে ব্যর্থ, ডেঙু প্ররিবোধেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে ব্যর্থ, তাদের জন্যই আজকে জরুরী অবস্থা দরকার।

দেশের মানুষ কাজ চায়, নাম চায় না জানিয়ে তিনি বলেন, এই পরিচ্ছন্ন অভিযানকে কী নামে অভিহিত করা হচ্ছে সেটি মূখ্য নয় কি কাজ হচ্ছে সেটি মূখ্য। আজকে শুধু বাংলাদেশে নয় ফিলিফাইনের মতো দেশে হাজারের অধিক লোক মারা গেছে। লক্ষাধিন লোক আক্রান্ত। চীন, ভারত, থাইল্যান্ড, মিয়ানমারেও এই রোগ বিস্তার লাভ করেছে।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামন খান কামাল, ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র আতিকুল ইসলামসহ মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ ও কেন্দ্রীয় অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে