টাচ নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের জীবন্ত কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী, দেশের অন্যতম সেরা সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের জন্মদিন আজ।৬৭ পেরিয়ে তিনি ৬৮ বসন্তে পা দিয়েছেন। ১৯৫৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সাবিনা ইয়াসমিনের জন্ম হয়েছিল ঢাকায়। যদিও তাদের পৈতৃক নিবাস সাতক্ষীরা। তাঁর পিতা লুতফর রহমান ব্রিটিশ রাজের অধীনে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন এবং মাতা বেগম মৌলুদা খাতুন।

তারা পাঁচ বোনের মধ্যে চার বোনই সংগীতের সঙ্গে যুক্ত। ফরিদা ইয়াসমিন, ফৌজিয়া ইয়াসমিন, নীলুফার ইয়াসমিন এবং সাবিনা ইয়াসমিন। তাঁর আরেক বোন নাজমা ইয়াসমিন। ভগ্নীপতি চলচ্চিত্র নির্মাতা, অভিনেতা ও সুরকার খান আতাউর রহমান এবং তার ভাগ্নে সংগীতশিল্পী আগুন।

অসংখ্য বাংলা চলচ্চিত্রে তিনি গান গেয়েছেন। এছাড়া দেশাত্মবোধক থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসংগীত ও আধুনিক বাংলাসহ বিভিন্ন ধারার নানা আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে  হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

পেয়েছেনও দুহাত ভরে। চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি রেকর্ড ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন। বাচসাস পুরস্কার পেয়েছেন ছয়টি। শিল্পকলার সংগীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

সাবিনা ইয়াসমিন শৈশব থেকে গানের তালিম নেওয়া শুরু করেন। তিনি সাত বছর বয়সে প্রথম মঞ্চানুষ্ঠানে অংশ নেন এবং খেলাঘর নামে একটি বেতার অনুষ্ঠানে ছোটদের গান করতেন। ১৯৬২ সালে নতুন সুর চলচ্চিত্রে রবীন ঘোষের সুরে ছোটদের গানে অংশ নেন তিনি। চলচ্চিত্রে পূর্ণ নেপথ্য সংগীতশিল্পী হিসেবে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৬৭ সালে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে