আনিছ আহম্মদ হানিফ, চাটখিল প্রতিনিধঃ নোয়াখালীর চাটখিলে সন্ত্রাসী মনির হোসেন (৩৬) রোববার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মানুষের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

এসময় হাসপাতালের ডিউটি ডাক্তার মাহাবুব তাকে বাধা দিলে মনির তাকে শারীরক লাঞ্ছিত করে এবং হাসপাতালের ডাক্তার নার্সদের কে উচ্চ ভাষায় গালমন্দ করে অরাজগতা সৃষ্টি করে এই খবর পেয়ে চাটখিল থানার ওসি তদন্ত হুমায়ন কবির সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে আটক করতে গেলে সন্ত্রাসী মনির পুলিশের উপর হামলা করে। এতে ওসি (তদন্ত) হুমায়ন কবির আহত হয়।

সন্ত্রাসী মনির উপজেলা বারইপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, মনির দীর্ঘ দিন থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, চাঁদাবাজি, ধর্ষন চেষ্টা, মাদক সহ বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে। ইদানিং সে চাটখিল সরকারি কলেজে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ইভটিজিং করে আসছে।

এ ছাড়া কিছুদিন পূর্বে সে ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমিতে গিয়ে চাঁদা দাবি করে, এবং সেখানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ ছাড়াও সে বিভিন্ন সময়ে ফেরিওয়ালার টাকা লুট করে নেওয়া রিকশাওয়ালাদের মারধর করা সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে মানুষকে হয়রানি করে আসছে। তার অস্ত্রের ভয়ে কেউ তার নাম প্রকাশ করতে চাচ্ছে না। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ সামাজিক সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ অনেকের সাথে সে বেয়াদুবি অসৎ আচরন করে সন্ত্রাসী মনির নিজেকে জাতীয় সংসদের স্পীকারের নিকট আত্মীয় পরিচয় দিয়ে থাকে। অথচ খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্পীকারের পরিবারের সাথে তার কোন সম্পর্ক নাই। সে একজন সন্ত্রাসী। তার গ্রেফতারের খবর শুনে চাটখিল বাসী স্বস্তির নিঃশ্বাস পেলেছে। এলাকাবাসী তার বিচার দাবি করেছে।

চাটখিল থানার নবাগত ওসি মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, তার বিরুদ্ধে আইনানুক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে