টাচ নিউজ ডেস্ক: সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় খুলনায় এতিমদের সাথে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো দোয়া চাইলেন সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল।

দুই দিনে ডজনের বেশি এতিমখানার হাজারো এতিম শিশুদের নিয়ে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সুস্থতা এবং দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া মাহফিল ও তোবারক বিতরণ কর্মসূচি পালন করলেন তিনি।

দোয়া মাহফিলে রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এদেশের মানুষের রুটি রুজির জন্য আজীবন সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। গণতন্ত্র অর্জনের যুদ্ধে তিনি কখনো আপস করেন নাই। বাংলাদেশের আপামর মানুষের কাছে তাই তার জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। এদেশের মানুষ বারবার ভোট দিয়ে তাকে দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছেন। কোন নির্বাচনেই তিনি কখনো পরাজিত হন নাই। অথচ তিনি গুরুতর অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও এই অবৈধ সরকার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য তাকে গৃহবন্দী করে রেখেছে। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য অতিদ্রুত তার বিদেশে যাওয়া প্রয়োজন। দল ও পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার আবেদনের পরও তাকে বিদেশে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। যা অমানবিকতার সর্বোচ্চ দৃষ্টান্ত। তাই আজ আমার সন্তানতূল্য এতিম শিশুদের মাধ্যমে আমি মহান আল্লাহপাক রাব্বুল আলামিনের নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অতিদ্রুত পূর্ণ সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু দান করেন।

আজ কর্মসূচীর দ্বিতীয় দিনে সকাল ১১টায় খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানার অন্তর্গত বায়তুল ফালাহ মাদ্রাসা ও এতিমখানায়, সকাল ১১ঃ৩০টায় সামসুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানায়, দুপুর ১২টায় নিউজপ্রিন্ট শ্রমিক ভবন মাদ্রাসা ও এতিমখানায়, দুপুর ১২ঃ৩০টায় খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসা ও এতিমখানায়, দুপুর ১টায় আরাবিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায়, দুপুর ২টায় বয়রা মধ্যপাড়া এতিমখানা ও মাদ্রাসায়, দুপুর ২ঃ৩০টায় রায়ের মহল মাদ্রাসা ও এতিমখানায়, দুপুর ৩টায় বায়তুন নাজাত মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এবং দুপুর ৩ঃ৩০টায় মুস্তাঈনুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার এক হাজারের অধিক (দুই দিনে দুই হাজার) এতিম শিশুদের নিয়ে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সুস্থতা এবং দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া মাহফিল এবং তবারক বিতরণ করে দোয়া মাহফিলের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা মহানগর বিএনপি নেতাঃ স ম আব্দুর রহমান, শেখ জাহিদুল ইসলাম, শেখ শাহিনুল ইসলাম পাখি, আবুল কালাম জিয়া, শের আলম সান্টু, শেখ সাদী, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, মিরাজুর রহমান মিরাজ, শেখ ইমাম হোসেন, জহর মীর, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, রুবায়েত হোসেন বাবু, নুুরুজ্জামান নিশাত, আবু সাইদ হাওলাদার আব্বাস, জাহিদুল ইসলাম, শেখ জাফিরুল ইসলাম, খোদাবক্স কোরাইশী কালু, মশিউর রহমান খোকন, শেখ শাকেরুল্লাহ তুহিন, ইঞ্জিঃ নুর ইসলাম বাচ্চু হেমায়েত হোসেন, গোলাম মোস্তফা ভুট্টো, আমিনুল ইসলাম বাবু, শেখ মিজানুর রহমান, শেখ রিয়াজ শাহেদ, সত্যানন্দ দত্ত, মোঃ পারভেজ, রফিকুল ইসলাম রফিক, শেখ মোঃ নাজিম, আল মামুন রনি প্রমুখ।

যুবদল নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনঃ কাজী নেহিবুল হাসান নেহিম, সৈয়দ মেহেদী মাসুদ সেন্টু, আব্দুল আজিজ সুমন, সাইফুল ইসলাম সান্টু, মোল্লা সোহেল, ইঞ্জিঃ শাহিনউদ্দীন, মাহমুদ হাসান শান্ত, গাজী সালাউদ্দিন, এম এম জসিম, মঈনউদ্দিন নয়ন, আরিফুর রহমান শিমুল, খায়রুজ্জামান শামীম, সামাদ বিশ্বাস, মাহবুবুর রহমান, নাজমুল হোসেন বাবু, মুজাহিদুল ইসলাম টনি, মিজানুর রহমান বাবু, আরিফুর রহমান আরিফ, আলামিন হাওলাদার, জুয়েল হাসান, সোহেল, বাপ্পি, রাকিব, আশরাফুল, জাহিদ প্রমুখ।

সেচ্ছাসেবক দল নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনঃ আতাউর রহমান রুনু, ইউসুফ মোল্লা, মুনতাসির আল মামুন, মোঃ মোশাররফ হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম বাচ্চু, আলাউদ্দিন তালুকদার, মোতালেব শেখ, মীর মোঃ আল আমিন, সাইদুল ইসলাম তুহিন, মোঃ আয়ুব প্রমুখ।

ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনঃ ইস্তিয়াক আহমেদ ইস্তি, তাজিম বিশ্বাস, হাসান মাহমুদ, সৈয়দ ইমরান, হেদায়েতুল্লাহ দীপু, রিয়াজুল খান মুরাদ, স্বপন রহমাতুল্লাহ, মাজহারুল ইসলাম রাসেল, এস এম ইউসুফ, আল আমিন লিটন, রাজু আহমেদ, শাকিল আহমেদ, অমিত মল্লিক, কাজী সালমান মেহেদী, শুভ কুমার দাস, আহমেদ ইমরান সালেহ সিফাত, বেলাল হোসেন, এস এম নয়ন হোসেন, শেখ মারজান হোসেন, অন্তিম বিশ্বাস মোঃ রাব্বি রহমান, নাজির মাহমুদ নিবীড়, মহিউদ্দীন তালিম, আল আমিন, রাকিব, হানিফ আকাশ, ইয়াসিন মল্লিক, আবু ওবায়দা মাহিম প্রমুখ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে