টাচ নিউজ ডেস্ক: গত ৬ অক্টোবর (বুধবার) দৈনিক প্রথম আলোতে ‘কৃষি আবহাওয়ার তথ্য পাচ্ছেন না কৃষক’ শিরোনামে যে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে তার প্রতিবাদ জানিয়েছে কৃষি আবহাওয়া তথ্য পদ্ধতি উন্নতকরণ প্রকল্পের পরিচালক ডা. মোঃ শাহ কামাল খান।

গণবাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, প্রকাশিত সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে দুই বছরের এই প্রকল্পের জন্য বরাদ্দছিল ১১৯ কোটিটাকা-তথ্যটি সঠিক নয়।প্রকৃত পক্ষে উক্ত বরাদ্দ পাঁচ বছরের জন্য কারণ এটি একটি পাঁচ বছর মেয়াদি প্রকল্প (জুলাই ২০১৬ থেকে জুন২০২১)।

সেই প্রতিবেদনে বরিশাল জেলার ভারপ্রাপ্ত উপ পরিচালক মোসাম্মৎ মরিয়ম বেগম এর যে উদ্ধৃতি প্রকাশ করা হয়েছে সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সাথে কথা বলে এবং তার লিখিত বক্তব্যের প্রেক্ষিতে জানা যায় যে, উল্লেখিত বক্তব্য সঠিক নয়।

অটোমেটিক রেইন গেজ এবং আবহাওয়া তথ্য বোর্ড-এর কার্যকারিতা ও সচল/অচল সংক্রান্ত যে তথ্য প্রদান করা হয়েছে তা সঠিক নয়। অটোমেটিক রেইন গেজ-এর মাধ্যমে শুধু বৃষ্টি পরিমাপ করা যায় এটি দ্বারা তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, ঝড়ের পূর্বাভাস, আলোকঘন্টাসহ ১০টি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করার সুযোগ নেই।

প্রতিবেদনের শিরোনামটিও বিভ্রান্তিকর। কারণ শুধুমাত্র অটোমেটিক রেইন গজ ও ডিসপ্লে বোর্ড দিয়ে কৃষকদের কৃষি আবহাওয়ার তথ্য প্রদান করা হয়না। এ ছাড়াও বুলেটিন, এসএমএম, ভয়েস মেসেজ, ফেসবুক গ্রুপ, দলীয় সভা, ব্যক্তিগত যোগাযোগ, গণ মাধ্যম, প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সম্প্রসারণ পদ্ধতি অনুসরন করে কৃষকের কাছে তথ্য পৌঁছানো হয়।

প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সারাদেশ ব্যপি ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে চলমান প্রকল্পটির সুষ্ঠু বাস্তবায়নে এ ধরণের বিরূপ প্রতিবেদন নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এসময় এ জাতীয় তথ্য অপপ্রচার থেকে বিরত থেকে জনহিতকর, অনুপ্রেরণামূলক এবং উৎসাহ ব্যন্জক সঠিক তথ্য প্রচারের জন্য অনুরোধ জানানো হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে