টাচ নিউজ ডেস্কঃটাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে জিম্মি করে আলোচিত গণডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় কুষ্টিয়া-নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচলকারী ঈগল পরিবহন সাময়িকভাবে বন্ধ ষোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

ঈগল পরিবহনের কুষ্টিয়ার লাইনম্যান পলাশ জানান, ওই বাসের চালকের নাম মনি আহমেদ ও হেলপার দুলাল। প্রায় ২০ দিন আগে মনি বাসের চালক হিসেবে যুক্ত হন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর থেকে বাসটি নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশে বাসটি রওনা হয়। পথিমধ্যে কুষ্টিয়ার হোসেনাবাদ, ডাংমড়কা, আল্লারদর্গা, রাজাপুর, কাচিকাটাসহ বিভিন্ন কাউন্টার থেকে প্রায় ২৮ জন যাত্রী ওঠেন। এদিকে বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনার পর কুষ্টিয়া-নারায়ণগঞ্জ রুটে ঈগল পরিবহন চলাচল সাময়িক বন্ধ রাখা রয়েছে। বুধবার সকাল থেকে বাসের টিকিট বিক্রিও বন্ধ রেখেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (০২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঈগল পরিবহনের একটি বাস কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা প্রাগপুর থেকে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়। বাসটি সিরাজগঞ্জের কাছাকাছি দিবারাত্রি হোটেলে রাতের খাবার খাওয়ার জন্য বিরতি নেয়। বিরতি শেষে রাত দেড়টার দিকে আবার যাত্রা শুরু করে। পথে কাঁধে ব্যাগ বহনকারী ১০-১২ জন যাত্রী ওই বাসে ওঠেন। বাসটি বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার পর যাত্রী বেশে থাকা ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে বাসটির নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মারধর, ডাকাতি ও বাসের এক নারী যাত্রীকে গণধর্ষণ করে। এ ঘটনায় বাসের এক যাত্রী বাদী হয়ে টাঙ্গাইলের মধুপুর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (০৪ আগস্ট) ভোর ৫টার দিকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা থেকে রাজা মিয়া (৩২) নামে একজনকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেফতার করেছে। রাজা কালিহাতী উপজেলার বল্লা গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে