কুমিল্লা প্রতিনিধি: গত মঙ্গলবার স্বেচ্ছা-সেবকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত চিঠিতে সুমন সরকারকে সভাপতি ও আলহাজ্ব লিটন সরকারকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছা-সেবকলীগের কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। এ কমিটির মেয়াদকাল তিন বছর।

এক প্রতিক্রিয়ায় নবগঠিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, যেকোনো আন্দোলন সংগ্রামে সম্মুখ সারিতে থেকে এই জেলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীরা বদ্ধপরিকর। আমরা আশা করি আগের চেয়ে আমরা আরও সফলতার দিকে এগিয়ে যাবো।

আর্তমানবতার সেবায় করোনা কালীন সাহসী সম্মুখ যোদ্ধা, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ১০১ টিমের প্রধান সমন্বয়ক আলহাজ্ব লিটন সরকার দলের দুর্দিনে বিরোধীদলের জেল জুলুম নির্যাতনে নির্যাতিত হার না মানা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। দলের দুঃসময়ে রাজপথে বিরোধী দলের সন্ত্রাসীদের বুলেটের সামনে দাড়িয়ে বুক পেতে দিয়ে সকল আন্দোলন সংগ্রাম সফল করার অগ্রনায়ক।

৯০ এর দশক থেকে ছাত্র রাজনীতি করে আসা একজন ছাত্রনেতা লিটন সরকার।স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে রাজপথের ক্ষুধে পিকেটার। ৯৬ সালে বিএনপি-জামাতের প্রহসন মূলক নির্বাচনের বিরুদ্ধে টানা ২১ দিন রাজপথেই অবস্হান করে দলের পক্ষে কাজ করে গেছেন দিনরাত।তারপর আওয়ামীলীগ সরকার ২১ বছর পর ক্ষমতায় প্রথম আসে।

২০০১ সালে বিএনপি -জামাত ক্ষমতায় আসার পর চান্দিনা-দেবিদ্বার দুই উপজেলায় অসংখ্য মামলার আসামি হতে হয় লিটন সরকারকে। তার পুকুর এবং প্রজেক্টর লক্ষ লক্ষ টাকার মাছগুলো সহ ধরে নিয়ে যায় ঐ জামাত বিএনপি।

২০০৪ সালে যখন তার ছোট ভাই মারা যায় ঠিক সেই মূহর্তে ৪ দিনের মাথায় দেবিদ্বার আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা কোথায় করবে কোন যায়গা পাচ্ছিল না ঐ বিএনপি জামাতের সন্ত্রাসীদের কারণে,ঠিক সেই মূহর্তে তিনি তার মার্কেটে আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা সফল ভাবে করে দেন।বিএনপি জামাতের এই কঠিন ভয়াবহ সময়গুলোতে কেউ যখন রাজপথে দাঁড়ানোর সাহস পেতো না তখন অসংখ্য হামলা মামলা মাথায় নিয়ে রাজপথে মিছিল, মিটিং, আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছিলেন লিটন সরকার।

মহামারি করোনার দুঃসময়ে যখন স্বজনরা ছিলো না পাশে, সারারাত লাশ পরেছিল কেউ সহানুভূতি দেখাতেও আসেনি, সেই লাশ ১২ ঘন্টা পর দাফন /সৎকার করেছেন লিটন সরকার। করোনাকালিন দূর্যোগ মুহুর্তে এমন ১০০ শতকের বেশি লাশ দাফন করে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে পেয়েছেন অনেক সম্মাননা লকডাউনে অনাহারে থাকা, অসহায় হতদরিদ্রদের ঘরে ঘরে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী সহ নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছেন।
অক্সিজেন সেবা, বৃক্ষরোপণ, কৃষকদের ধান কাটা মাড়াই, মেডিকেল টিম গঠন করে ফ্রী চিকিৎসা সেবা, আগুনে পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থ সহায়তা, প্রতিবন্ধী, হতদরিদ্র ও চিকিৎসা বঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন এই মানবিক নেতা। কখনও করোনা হিরো, কখনও মানুবিকতায় বিশেষ সম্মাননা, কখনও করোনা যোদ্ধা হিসেবে ভূষিত হন।

একজন মুসলিম পরিবারের সন্তান হিসেবে মসজিদ নির্মাণে সহায়তা, হাফেজদের বিনামূল্যে খাবার খাওয়ানো, মসজিদ মাদ্রাসায় সাহায্য সহযোগিতায় ধর্মীয় রীতিনীতি সামাজিকতায় অসাধারণ একজন ব্যক্তিত্ব লিটন সরকার।

এদিকে নবগঠিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিভিন্ন উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীরা।

লিটন সরকার কে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পেয়ে উচ্ছসিত। কুমিল্লা উত্তর জেলার সকলের ভাষ্যমতে এতো দিনে প্রাণ ফিরে পেয়েছে কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সঠিক মানুষের হাতে কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগে দায়িত্ব দিয়েছে কেন্দ্রীয় শ্রদ্ধেয় নেতারা। লিটন সরকার যেখানেই সমস্যা দেখেছে সেখানেই সাহায্যে হাত বাড়িয়েছে। এমন নেতা পেয়ে আমরা আনন্দিত।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে