স্টাফ রিপোর্টার : ২০০৯ সালের আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। কমিশনটি মনে করে, রাষ্ট্রের সংবিধিবদ্ধ যা সরকার বা আদালতের বিশেষ আদেশবলে গঠিত ব্যতিরেকে অন্য কোন বেসরকারী বা স্বে”ছাসেবী সংস্থার নামের সাথে কমিশন বা সমার্থক শব্দ ব্যবহার আইন সঙ্গত নয়। অন্যান্য ভূইফোঁড় সংগঠন সংস্থার নামের সাথে কমিশন শব্দ যোগ হওয়ায় রাষ্ট্রীয় সংস্থা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিব্রত।
উল্লেখ্য, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন থেকে যে সকল সংগঠন বা সংস্থার নামের সাথে কমিশন শব্দ যুক্ত আছে তা বাদ দিয়ে পুন:নামকরণ করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সমাজসেবা অধিদপ্তরকে অনুরোধ করা হলে সমাজসেবা অধিদপ্তর গত ৩০ আগষ্ট ২০১২ইং তারিখে কথিত বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন থেকে কমিশন শব্দটি বাদ দেয়। পরবর্তীতে উক্ত সংস্থা গত ৭ জুলাই ২০১৩ইং তারিখে যৌথ মূলধন কোম্পানী ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর থেকে ‘সোসাইটি অব বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন’ নামে নিবন্ধন করলেও ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন’ ইংরেজীতে সামঞ্জস্য করার জন্য নিজেদের সংস্থার নাম ‘বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন’ হিসেবে পরিচিত করে কার্যক্রম চালায়। জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা মনে করে, রেজিষ্ট্রেশন অ্যাক্ট ১৮৬০ এর ধারা ১২ (ঘ) অনুযায়ী অতি জরুরী ভিত্তিতে ওই সকল ভূঁইফোড় প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা সত্ত্বেও উক্ত নির্দেশ অমান্য করে ‘বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন’ নাম ব্যবহার করে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে প্রতারিত করছে; যা অনভিপ্রেত। কমিশন একইভাবে প্রতারক হিসেবে ‘বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন’ নামের সংগঠনটিকে তালিকাভূক্ত করেছে।
কমিশন শব্দ ব্যবহার করায় রাষ্ট্রীয় সংস্থা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিব্রত
স্টাফ রিপোর্টার ঃ ২০০৯ সালের আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। কমিশনটি মনে করে, রাষ্ট্রের সংবিধিবদ্ধ যা সরকার বা আদালতের বিশেষ আদেশবলে গঠিত ব্যতিরেকে অন্য কোন বেসরকারী বা স্বে”ছাসেবী সংস্থার নামের সাথে কমিশন বা সমার্থক শব্দ ব্যবহার আইন সঙ্গত নয়। অন্যান্য ভূইফোঁড় সংগঠন সংস্থার নামের সাথে কমিশন শব্দ যোগ হওয়ায় রাষ্ট্রীয় সংস্থা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিব্রত।
উল্লেখ্য, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন থেকে যে সকল সংগঠন বা সংস্থার নামের সাথে কমিশন শব্দ যুক্ত আছে তা বাদ দিয়ে পুন:নামকরণ করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সমাজসেবা অধিদপ্তরকে অনুরোধ করা হলে সমাজসেবা অধিদপ্তর গত ৩০ আগষ্ট ২০১২ইং তারিখে কথিত বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন থেকে কমিশন শব্দটি বাদ দেয়। পরবর্তীতে উক্ত সংস্থা গত ৭ জুলাই ২০১৩ইং তারিখে যৌথ মূলধন কোম্পানী ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর থেকে ‘সোসাইটি অব বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন’ নামে নিবন্ধন করলেও ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন’ ইংরেজীতে সামঞ্জস্য করার জন্য নিজেদের সংস্থার নাম ‘বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন’ হিসেবে পরিচিত করে কার্যক্রম চালায়। জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা মনে করে, রেজিষ্ট্রেশন অ্যাক্ট ১৮৬০ এর ধারা ১২ (ঘ) অনুযায়ী অতি জরুরী ভিত্তিতে ওই সকল ভূঁইফোড় প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা সত্ত্বেও উক্ত নির্দেশ অমান্য করে ‘বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন’ নাম ব্যবহার করে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে প্রতারিত করছে; যা অনভিপ্রেত। কমিশন একইভাবে প্রতারক হিসেবে ‘বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন’ নামের সংগঠনটিকে তালিকাভূক্ত করেছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে