টাচ নিউজ ডেস্কঃ পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, চূড়ান্ত হিসাবে বিগত ২০২০-২১ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২ হাজার ৫৯১ মার্কিন ডলার হয়েছে।

ওই অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ৯ মাসের সাময়িক হিসাবে ছিল ২ হাজার ৫৫৪ মার্কিন ডলার (প্রায় ২ লাখ ১৬ হাজার ৫৮৯ টাকা)। অর্থবছর শেষে চূড়ান্ত হিসাবে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২ হাজার ৫৯১ ডলার (প্রায় ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৩৮ টাকা) হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাবে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিবিএসের এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘এটা আমাদের ফিগার, যে কেউ এটা নিয়ে গবেষণা করতে পারেন। আমরা সামগ্রিকভাবে ভালো করেছি বলেই মাথাপিছু আয় বেড়েছে।’

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতিবছর মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হারসহ কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক নির্দেশক প্রাক্কলন ও প্রকাশ করে আসছে। এ পর্যায়ে চূড়ান্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ২০২০-২১ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে। চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে শতকরা ৬ দশমিক ৯৪ ভাগ, যা সাময়িক হিসাবে ছিল ৫ দশমিক ৪৩ ভাগ ।

সার্বিক বিবেচনায় কৃষি খাতের ২০২০-২১ অর্থবছরে চূড়ান্ত হিসাবে শতকরা ৩ দশমিক ১৭ ভাগ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা সাময়িক হিসাবে ছিল ২ দশমিক ৩৭ ভাগ। এর মধ্যে শস্য উপখাতে ২ দশমিক ২৯ শতাংশ, পশুপালন উপখাতে ২ দশমিক ৯৪ শতাংশ, বন উপখাতে ৪ দশমিক ৯৪ শতাংশ এবং মৎস্য খাতে ৪ দশমিক ১১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে ।

২০২০-২১ অর্থবছরে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের প্রবৃদ্ধি ১১ দশমিক ৫৯ শতাংশ প্রাক্কলন করা হয়েছে। বছর শেষে বিদ্যুৎ খাতে ১১ দশমিক ৯৫ শতাংশ এবং নির্মাণ খাতে ৮ দশমিক ০৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে।

সার্বিকভাবে চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী শিল্প খাতে ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে ১০ দশমিক ২৯ ভাগ যা সাময়িক হিসাবে ছিল ৫ দশমিক ৯৯ ভাগ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে