টাচ নিউজ ডেস্ক: পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রাখার ঘটনায় অভিযুক্ত ইকবাল ও ইকরাম হোসেনসহ চারজনকে সাত দিনের রিমান্ডে পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেলেও এর পেছনে কারা কলকাঠি নেড়েছে সে ব্যাপারে এখনও মুখ খুলেননি আসামিরা। ঘটনা পেছনে কারা রয়েছে সেটা বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে সেটা বেরিয়ে আসবে বলে আশা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সূত্রে জানা যায়, চার আসামির মধ্যে ইকরাম ও ইকবালকে প্রাধান্য দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। এর মধ্যে ইকরাম ৯৯৯ নম্বরে কল করে পূজামণ্ডপে কোরআন শরিফ থাকার কথা পুলিশকে জানান। আর ইকবাল পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআনের একটি কপি রাখেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে নেতৃত্ব দিচ্ছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি সাইফুল ইসলাম। সঙ্গে আছেন বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কুমিল্লার একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। তারা প্রতিটি বিষয় ধরে ধরে এগোনোর চেষ্টা করছেন। ঘটনার গভীরে কাদের ইন্ধন আছে, তা খুঁজে বের করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাতে ইকবালকে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শুক্রবার বেলা ১২টায় কুমিল্লা পুলিশ লাইনসে এনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

গত ১৩ অক্টোবর নগরীর নানুয়ার দিঘির পাড়ের একটি অস্থায়ী পূজামণ্ডপে হনুমানের মূর্তির ওপর কোরআন শরিফ রাখার খবর ছড়িয়ে পড়লে কুমিল্লাসহ সারাদেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় চাঁদপুরে পাঁচজন, নোয়াখালীতে দুজন ও কুমিল্লায় একজনের প্রাণহানি ঘটে। এছাড়া রংপুরের পীরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে