ছবি: রবিউল করিম পলাশ

টাচ নিউজ ডেস্ক: সাহিত্যমনা প্রতিভাবান এক মানুষের নাম রবিউল করিম পলাশ। সাহিত্যমনা মানুষটি সর্বদাই সাহিত্যিকদের দর্শন ও পারিপার্শ্বিক প্রতিটি উপাদানের সাথে পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ায় নিজেকে সংশ্লিষ্ট করে। এই মিথস্ক্রিয়াগুলির ফলাফল থেকে লব্ধ ধারনার আদর্শ ও উপযুক্ত রূপটির আলোকে নিজেকে সংজ্ঞায়িত করার প্রচেষ্টাটি চলছে তার জীবনভর।

প্রতিভাবান এ মানুষটি ১৯৭৫ সালের ২৩ এপ্রিল বরিশালের বৈদ্যপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।

বাবার চাকুরীর বদলির কারণে, আশির দশকে বরিশাল থেকে সপরিবারে রাজশাহীতে পাড়ি জমাতে হয় তাকে। সেখানে তার বাবা রাজশাহী কলেজের পরিসংখ্যান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ছিলেন। তিনিও রাজশাহী কলেজ থেকে তার শিক্ষাজীবন শেষ করেন।

সেই তখন থেকে অদ্যবধি তার শৈশব, কৈশোর, যৌবন কেটেছে পদ্মা তীরের বিভাগীয় শহর রাজশাহীতে।

কৈশোর থেকেই তার সাহিত্য সংস্কৃতির প্রতি ছিলো এক অন্যরকম ভালোবাসা ও ঝোঁক ছিলো। তিনি কৈশোর থেকেই কবিতা লেখা শুরু করেন।

তার প্রথম লেখা প্রকাশিত হয় ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বর মাসে বনলতা নামের রাজশাহীর একটি স্থানীয় পত্রিকায়। তিনি জেলা শিল্পকলা একাডেমি রাজশাহী থেকে নাট্যকলা বিভাগে ১৯৯৭-৯৮ শিক্ষাবর্ষে উত্তম বিভাগে উত্তীর্ণ হন।

তিনি রাজশাহীর বিভিন্ন নাট্য সংগঠন ও নাট্যদলের সাথে জড়িত। তিনি রাজশাহীর বিভিন্ন নাট্যদলের মাধ্যমে বাংলাদেশ বেতার রাজশাহীতে মাঝে মাঝে নাটকে অভিনয় করে থাকেন। তিনি বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া বিলুপ্তপ্রায় লোকসংস্কৃতি “যাত্রাপালা” পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশ যাত্রা ফেডারেশন রাজশাহী জেলা শাখার একজন সদস্য। তিনি রাজশাহীর শতফুল বাংলাদেশ নাট্যগোষ্ঠী নামে একটি নাট্যগোষ্ঠীর তালিকাভুক্ত একজন অভিনেতা। তিনি রাজশাহীতে বিভিন্ন মঞ্চে নাটক ও যাত্রাপালায় অভিনয় করে থাকেন।

ইউটিউবে তার অভিনীত দু’টো শর্টফিল্মও প্রচারিত হচ্ছে। তিনি একাধারে একজন কবি, লেখক, অভিনেতা, আবৃত্তিকার, নাট্যকার, সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার। “প্রেমকাব্য” নামে তার একটি কাব্যগ্রন্থও প্রকাশিত হয়েছে। রাজশাহীর বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় তার লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে। সোনালী সংবাদ, নব প্রবাহ, হাইফেন, সূবর্ন সংবাদ, অক্ষর, অনির্বাণ সহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় তিনি লিখে থাকেন।

রবিউল করিম পলাশের প্রিয় রং কালো। প্রিয় খাবার ভুনা খিচুড়ি ও গরুর মাংস।

সাংসারিক জীবনেও সফল এ মানুষটি একটি ছেলে ও একটি মেয়ের জনক।

বর্তমানে রবিউল করিম পলাশ পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন পিকেএসএফ এর সহযোগী সংস্থা রাজশাহীর শতফুল বাংলাদেশ নামে একটি এনজিওতে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন।

তিনি চাকুরির পাশাপাশি যে সময়টুকু পান, সে সময়টুকু ও ছুটির দিনগুলো তিনি সংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে ব্যায় করেন। ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে টিভি নাটকে অভিনয় করতেও আগ্রহী রবিউল করিম পলাশ।

একে//

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে