টাচ নিউজ ডেস্ক: কামরুল হাসান সোহাগ পেশায় নগর পরিকল্পনাবিদ৷ পেশাদারিত্বের বাইরেও তাঁর ধ্যান লেখালেখিতে৷ শব্দের শক্তিতে তাঁর পূর্ণ আস্থা৷ গানের সকল শাখায় কাজ করতে তিনি আগ্রহী। দেশকে ভালোবেসে প্রায় এক ডজনের বেশি দেশত্ববাধ্যক গান লিখেছেন বহুমাত্রীক প্রতিভাবান এ গীতিকার।

গানের সকল শাখায় কাজ করতে তিনি আগ্রহী। প্রকাশিত গানের মধ্যে ১৫ টি দেশাত্মবোধক, ৩০ টি আধুনিক রোমান্টিক, দশটি ফোক ঘরানার, পাঁচটি আঞ্চলিক গান, একটি হিন্দী, একটি কাওয়ালী এবং ১৫ টি ইসলামিক গজল।

শরতের গান, আসমান আর জমিনের মাঝে, আমার নবী মোহাম্মদ, শরৎ আমার স্নিগ্ধতা, একটি আধার কালো রাত, একুশের গান, শরতের গান, পরবাসী মন, হারালি কোথায়, এই সবুজ আমার এই লাল আমার, তুই ফার অই ঠাঁই দিও সহ অনেক গান লিখেছেন এই গুণিজন। এসব গান শোভা পাচ্ছে দেশের সনামধন্য সব গায়ক-গায়িকাদের কন্ঠে। আবার এসব গান গেয়ে পুরষ্কারও পাচ্ছেন অনকে নবীন প্রবীন শিল্পী। এইতো কদিন আগেই অনুষ্ঠিত চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডে গত বছর প্রকাশিত কামরুল হাসান সোহাগের ‘শরৎ আমার স্নিগ্ধতা’শিরোনামে দেশাত্মবোধক গানটির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে পুরস্কৃত হলেন কানিজ খাদিজা তিন্নি।

শুধু গানই না, গল্প, উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থ সহ সাহিত্যের প্রায় সব ধারায় ই পটু কামরুল হাসান সোহাগ। বাস্তব জীবনের সত্য ছবিকে তিনি সাবলীল ভাষারূপ দেন তার প্রতিটি কাজের মাধ্যমে৷ তাঁর প্রতিটি বাক্যই খুব সহজে বোধগম্য৷ বর্তমান সময়ের মানুষ জটিলতা তেমন পছন্দ করে না৷ তাই সত্যিকারের পাঠকদের অবিরাম সাড়া পান কামরুল ইসলাম সোহাগ৷

সৃষ্টিশীল এসব কাজেই শুধু নয়, পেশাদার জীবনেও কামরুল হাসান সোহাগ সমান সব্যসাচী৷ ২০০৪ সালে রাজউকে যোগ দেন৷ বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির উপ-নগর পরিকল্পনাবিদ হিসেবে কাজ করছেন৷ নগরায়ন ও সরকারব্যবস্থা এবং নগর পর্যায়ে জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমনের ওপর তাঁর দুটি গবেষণাগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে৷ নগর পরিকল্পনাবিদদের পেশাজীবী সংগঠন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) বোর্ড মেম্বারও নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি৷ বিআইপি জার্নালের সম্পাদকীয় বোর্ডের একজন সদস্য কামরুল হাসান সোহাগ৷

১৯৭৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর খুলনার ডুমুরিয়ায় এই লেখকের জন্ম৷ অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার বাবা ও শিক্ষিকা মায়ের সন্তান তিনি৷ তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার বড়৷ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা বিষয়ে স্নাতক ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্নাতকোত্তর শেষে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দাতা সংস্থায় কাজের মধ্যে দিয়ে কর্মজীবন শুরু৷ সবশেষ ২০০৪ সালে যোগ দেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-রাজউকে৷

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে