টাচ নিউজ ডেস্ক:আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় উচ্চ শিক্ষাগ্রহনের শেষ সোপান হল “বিশ্ববিদ্যালয় “। প্রাথমিক শিক্ষাগ্রহন অবস্থায় একটি সন্তান যখন তার মেধার বিকাশ ঘটাতে থাকে পিতা মাতা তাকে নিয়ে বাধতে আরম্ভ করে আশার বাতিঘর। যার প্রদীপ হিসেবে তাদের নিকট চলে আসে উচ্চশিক্ষা অর্জনের এক অনন্য আশ্রয়স্থল “বিশ্ববিদ্যালয় “।এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই যে শিক্ষার শেখরে আরোহনে বিশ্ববিদ্যালয় তাৎপর্যপূর্ন উপাদান। তবে কখনোই শেষ ঠিকানা নয়!
আমাদের দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা যাচাই করে তাদের ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।কিন্ত এই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার যোগ্যতা অর্জনের জন্য বলেন আর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার স্বাভাবিক সোপান বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থী এর পূর্বে কয়েকটি পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে নিজেকে প্রস্তত করে।সেই প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী থেকে শুরু করে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা সব স্থানে কৃতিত্বের সাক্ষর রাখতে তাদের থাকে আপ্রান চেষ্টা।আর সেই মুখগুলোই কিন্ত হয়ে দাড়ায় ভর্তি পরীক্ষার প্রকৃত যোদ্ধা।আমাদের দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আসন সংখ্যা সীমীত তাই সেরাদের সেরা বাছাই করে তারা তাদের কার্য সমাপ্ত করে।কিন্ত যেই “সেরা শিক্ষার্থীরা”তখন কতটা হতাশায় থাকে তা কেবল ভূক্তভোগী ঐ তরুন প্রানটাই জানে।পারিবারিক চাপ,সামাজিক প্রশ্নের ছুড়াছুড়ি “এত বছর কি করলি?”তাহলে কি এত বছরের অর্থাৎ দীর্ঘ এক যুগের সকল পুথিগত অর্জন বৃথা!আজব কথা!আজব আমার সমাজ!আর এই চাপকে নিজের পাপ ভেবে নিজের প্রান নিজের নিকট বলি দেয়া আমার ভাই বোনের সংখ্যাও কিন্ত নগন্য নয়।কিন্ত যারা এই ধাক্কা কে সামাল দিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহনে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো বেছে নিচ্ছে তারা কি খুব পিছিয়ে আছে??কখনোই না।গত কয়েক বছরের সরকারি বে-সরকারি চাকুরি গ্রহীতাদের তালিকাটা দেখুন,নতুন নতুন উদ্যেক্তাদের চেহারাগুলোর দিকে তাকান,বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন চাকুরি”বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস”(বি সি এস)নিয়োগ প্রাপ্তদের দিকে নজর দিন বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি আতকে উঠবেন।সেখানে দেশসেরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে অন্যরাও কিন্ত চলছে সমানতালে।তাই বলতে চাই মাত্র ১.৩০-২.০০ ঘন্টার ভর্তি পরীক্ষা কখনো তোমার স্বপ্ন জয় কিংবা স্বপ্ন ভঙ্গের সহায়ক হতে পারে না।স্বপ্ন যদি হয় নিজের বাস্তবায়নটাও করতে হবে নিজের।প্রতিষ্ঠান সহায়ক মাত্র।সে যেই প্রতিষ্ঠানেই হোক না কেন।
তাই বলছি ভর্তি পরীক্ষা নামক এই যুদ্ধের সৈনিকরা কখনো হতাশায় নিমজ্জিত হবা না,,ভাগ্যের চাকা ঘুড়বেই,সফলতা আসবেই।
যদি মনে থাকে প্রতিজ্ঞা আর কর্মে থাকো নিয়মতান্ত্রিক।
নিপাত যাক ভর্তি যুদ্ধে “স্বপ্নভঙ্গ”নামক প্রত্যয়ের ব্যবহার।

তালুকদার সুকান্ত লেনিন
অনার্স সেশন(২০১৮-২০১৯)
সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
ঢাকা কলেজ,ঢাকা

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে