দেশটির প্রত্নতাত্ত্বিকরা বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) জানান যে, তারা ১২০০ বছরের পুরাতন একটি মসজিদের অবশিষ্টাংশ খুঁজে পেয়েছে, যা বিশ্বের প্রাচীনতম মসজিদগুলোর অন্যতম একটি।

প্রাচীন ইসলামের ইতিহাসের বিশেষজ্ঞ গিদিওন অভনির বরাত দিয়ে ইসরায়েলের প্রত্নতত্ত্ব কর্তৃপক্ষের জারিকৃত একটি বিবৃতিতে বলা হয়, ৬৩৬ খ্রিস্টাব্দে আরব বিজয়ের পর ইসরায়েলে ইসলাম প্রচলনের একদম শুরুর দিকের প্রাচীন মসজিদের একটি এটা।

এলাকাটির গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন আরব ও ইহুদি যুবক ও বেদুঈন অধিবাসীদের সহযোগিতায় খনন কাজ করা হয় বলে কর্তৃপক্ষ জানায়।

ইসলামের পবিত্রতম স্থান মক্কা মুখী ‘মিহরাব’সহ ছাদ খোলা আয়তাকার আকৃতির মসজিদটি পাওয়া যায়। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর জন্যেই শত শত বছর আগে ভবনটার আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় বলে জানান খনন কার্যের সহপরিচালক জন সেলিগম্যান।

তিনি বলেন, ‘এই সময়ে জেরুসালেমে এবং মক্কায় মসজিদের বৃহত্তর প্রচলন ছিল, কিন্তু এখানে, আমাদের কাছে এমন এক প্রাচীন মসজিদের প্রমাণ আছে, যা দেখে মনে হচ্ছে স্থানীয় কৃষকদের ইবাদাত করার জন্যই এটা নির্মাণ করা হয়েছিল।’

অভনির মতে, এমন একটি মসজিদের আবিষ্কার সে সময়ের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় পরিবর্তনের প্রক্রিয়াগুলোকে নির্দেশ করে, যা রোমান-খ্রিস্টান বাইজেন্টাইন যুগ থেকে প্রাথমিক ইসলামিক যুগে রূপান্তরের সময় ঘটেছিল।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানায়, নেগেভে প্রত্নতত্ত্ব কর্তৃপক্ষ বেদুঈনদের প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়ন করতে সব ধরনের সম্ভাবনা যাচাইয়ের কাজ করছে। নেগেভের আশেপাশে খোঁজ পাওয়া এই প্রাচীন বিরল ভবনকে নির্মাণ করার ব্যাপারে চেষ্টা চালাচ্ছে ইসরায়েলের প্রাচীন ও প্রত্নতত্ত্ব কর্তৃপক্ষ।

উৎসঃ আওয়ার ইসলাম

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে