আযম খসরু: দেখতে দেখতে ৬৩ বৎসর শেষ হলো। ৬৪ বৎসরে পা দিলাম। শিশু, কিশোর৷, যুবক, বয়স পার করেছি আমার প্রিয় জেলা ফরিদপুরে। স্কুল ছিল ফরিদপুর হাই স্কুল, কলেজ ছিল ফরিদপুর,রাজেন্দ্র কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়।

আমি ফরিদপুর থাকা কালিন লেখাপড়া পাশাপাশি ছাত্রলীগে নেতা ছিলাম। ছাত্রলীগ করার মাধ্যমে রাজপথের সাথী শ্রদ্ধেয় আবদুর রহমান, নীরু ভাই, কাজল, শাহ মোঃ আবু জাফর, মজনুভাই, বিপুল ঘোষ, হাসিবুল হসান (লাবলু,)শমীম হক, মাহবুব খাঁন, শ্যামল, আলম ভাই, নির্মল, হাশেম, হাই ভাই, সহ আরও নামনা জানা অনেকে। তখন আওয়ামী লীগ এর নেতা ছিলেন মরহুম ইমাম ভাই, এডঃমোসারফ ভাই, এডঃ শামসুদ্দিন মোল্লা, এডভোকেট খলিল কাজি, ফিরোজ মাস্টার, এডভোকেট মজিবর উকিল, প্রিনসিপ্যাল দেলোয়ার স্যার, এডঃ -হায়দার উকিল, জয়নাল (স্যার) মাস্টার, লোকমান স্যার, মুজা মোল্লা, রুমী, মাও কবির, হায়দার আলী, আরও অনকে।

৭৫ পরবর্তী রাজনীতিতে যে ভূমিকা, সাহস,ত্যাগ, জীবনের ঝুঁকি, মামলা – হামলা – জেল – জুলুম – নির্যাতন সব কিছু পদদলিত করে হিমালয়ের মত অটল ছিলাম । বাসায় একটি রাত ঘুমাইতে পারি নি। নিদ্রাহীন, উৎকন্ঠ, প্রতিনিয়ত আমার মায়ের ছিল।

এখন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি , বিশিষ্ট শিল্পপতি শামীম হক তার সাক্ষী। কিছুদিন আগে মিটিং হয়েছে ফরিদপুর অন্বিকা হলে, সেখানে বিস্তারিত তার তথ্য বহুল বক্তব্য তুলে ধরছে শামীম হক। তিনি এও বলছেন, আদর্শ আর ত্যাগ তার জলন্ত প্রমাণ আমার বন্ধু জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দীয় কমিটিরসাধারণ সম্পাদক  আলহাজ্ব আযম খসরু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আবিষ্কার ও পুরস্কার ।

যাক এ সব কথা, এরপর পুলিশের অত্যাচার নির্যাতনে জর্জরিত হয়ে ফরিদপুর ত্যাগ করে ঢাকায় এসে তেজগাঁও কলেজে বি,এ, তে ভর্তি হলাম। ফার্মগেটে তেজগাঁও কলেজে ভর্তি হয়ে ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করলাম। ছাত্রলীগ সংগঠন করতে গিয়ে পরিচিত হলো। মরহুম সাইদুর ভাই, আকব্বর আলী মর্জি, সিরাজ ভাই, শওকত ভাই, তাহের ভাই, বন্ধুবর আতা, হিরু, নেত্রী সাজেদা চৌধুরীর বড় ছেলে আইমান আকবর চৌধুরী (বাবলু) ভাইয়েরর সাথে। সাইদুর ভাই আমাদের ক্লাস নিতেন তেজগাঁও কলেজে। বলতেন, আব্রাহাম লিংকন এর উক্তি By the people, For the People, of the people.

সাইদুর ভাই ছিলেন অবিক্ত যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ঢাকা মহানগর। আকবর আলী মর্জি ছিলেন রাজবাড়ী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। তাহের ভাই ছিলেন ঢাকা মহানগর এর অবিক্ত ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। আর বাবলু ভাই এখন ফরিদপুর নগরকান্দা মায়ের আসন ( সাজেদা চৌধুরীর)।

আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি যেন সুস্হ থাকি। ভাল থাকি। সকল ষড়যন্ত্র – চক্রান্তের জাল ছিন্ন করে, সিন্ডিকেট মুক্ত, পকেটে কমিটি মুক্ত,বানিজ্য মুক্ত, চাঁদাবাজ মুক্ত, একটি সুন্দর, সৃজন শীল জাতীয় শ্রমিক লীগ গঠন করে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী, শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে পারি এবং নেত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে পারী।

মনে রাখবেন সাহসের কোন বিকল্প নেই । আপনার আমার শক্তি। আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থন আগামীতে আমার চলার পাথেয়। সত্যের জয় হবে। মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র, চক্রান্তর পরাজয় হবে। আমার প্রত্যাশা নবীন- প্রবীন সন্বনয়ে একটি কমিটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের উপহার দিবেন। জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।

লেখক: সাধারন সম্পাদক, জাতীয় শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে