আজমল হোসেন জিতু: সারাদেশের আঘাত প্রাপ্ত নেতাকর্মীরা এক হতে শুরু করছে আর একবার যদি এক হয়ে যায়না তাহলে ২২ সালের ডিসেম্বরে কাউন্সিল আর ২৩ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ভাবার সময় পাবেন কিনা তা একটু ভেবে দেখুন দয়া করে।

পল্লীবন্ধু এরশাদ পুত্র, সাদ এরশাদ এমপি ও তাঁর রংপুরস্হ বাসভবন পল্লী নিবাস। যেখানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি আপনার/আমার আদর্শিক রাজনৈতিক পিতা পল্লীবন্ধু এরশাদ!

গতবছরের সেই নগ্ন হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে জাতীয় পার্টি’র কাকরাইলস্হ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পার্টির

প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম সেন্টু’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, নেতা তৈরীর কারিগর, এরশাদ মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক অধ্যাপক মোঃ ইকবাল হোসেন রাজু, সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী মোঃ মামুনুর রশীদ, সাবেক সাংসদ এড. জিয়াউল হক মৃধা, প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রয়াত মেজর অবঃ খালেদ আকতার সহ জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর এর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এই বিষয়টি নিয়ে আজ লেখার কোন মানসিকতাই আমার নেই কিন্তু ঐ যে বিবেক নামের আরেকজন রাজনৈতিক কর্মী তো আমার ভিতরেও বসবাস করে।

তাকে অস্বীকার করার তো কোন উপায় নাই। তাই দু’লাইন লিখতে ইচ্ছে করলো জানি কুকুরের লেজকে যদি খাঁটি পাবনার ঘিঁ তে টানা ২০ বছরও রেখে দেন বোতল বন্দি করে তবুও ২২ বছর পর বের করে দেখবেন সেই ব্যাকা লেজ সোজা হয়নি।

সভাপতির বক্তব্যে জনাব সেন্টু ভাই পার্টি চেয়ারম্যান ও তৎকালীন মহাসচিব এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছিলেন আপনারা রয়েছেন তো ঘুমিয়ে তাই টের পাইতেছেন না। সারা দেশের সাংগঠনিক অবস্থা আজ বেহাল। প্রতিটি আঘাত প্রাপ্ত নেতাকর্মী যদি একবার ঐক্য গড়ে তুলে তাহলে পালানোর পথও খুঁজে পাবেন না।

ইদানীং মাননীয় চেয়ারম্যান, মহাসচিব ও ডাকসাইটে প্রেসিডিয়াম সদস্য, উপদেষ্টা, ভাইস চেয়ারম্যান, যুগ্ন মহাসচিবদের অতিভাজন ফেসবুকে প্রয়াত পল্লীবন্ধু এরশাদ পুত্রদ্বয় মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব রাহ্গির আল মাহি সাদ এরশাদ ও এরিক এরশাদকে নিয়ে যে ধরনের আপত্তি জনক লেখা পোষ্ট করে বহাল তবিয়তে আবার মন্তব্য পাল্টা মন্তব্যে তাচ্ছিল্য করেন তাতে তাঁরা দলীয় পদ গুলোতে কিভাবে থাকেন তাই ভাবিয়ে তুলেছে এরশাদ আদর্শে বিশ্বাসী কর্মীদের। এদের আস্কারা বা ক্ষমতা কোথা থেকে আসে? যে ওরা লিখে জনাব সাদ এরশাদ এমপি কিছু না। আর এরিক তো গোনাতেই পড়ে না আশ্চর্য।

আমরা সুস্পষ্ট ভাবে বলে দিতে চাই, জীবনবাজী রেখে পল্লীবন্ধু এরশাদ মুক্তি আন্দোলন করেছি ২ দিন আগে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে নয়। কোন এক ব্যাক্তি কথায় কথায় আপনাকে অবৈধ চেয়ারম্যান বলে ফেলায় যদি তাঁর নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়। তাহলে আইনের প্রতি আমরাও যথেষ্ট শ্রদ্ধা রাখি এবং সেই শ্রদ্ধাবোধ থেকেই বলছি আপনাদের সব ধরনের অতি আপত্তি জনক কথা আমাদের কাছেও জমা রয়েছে।

পল্লীবন্ধু এরশাদের একজন কর্মী হিসেবে দেশের আইন সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল হয়েই বলছি, আমাদের সকলেরই প্রিয় জনাব সাদ এরশাদ এমপি ও এরিক এরশাদকে নিয়ে এরপর লিখুন তবে তা যেন হয় মার্জিত ভাষা প্রয়োগের মাধ্যমে নতুবা একজন সাবেক সেনাপ্রধান, সফল সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু এরশাদ পুত্রদ্বয়কে নিয়ে লিখলে আইনের আওতায় আনতে এসব ফেসবুক আইডি ও ব্যক্তিকে কিভাবে আনতে হয় তা আমরাও জানি।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিশ্চিত করে একজন সম্মানিত সংসদ সদস্য ও তাঁর অসুস্থ ছোটভাইকে সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে হেয় করার জন্য আইনের প্রতি আমাদের নিয়ে যাবেন না দয়া করে। দূর্বল ভাবার চেষ্টা করলে বলবো বাস করছেন চিংড়ীর ঘ্যারে।

লেখক: রাজনৈতিক কর্মী, জাতীয় পার্টি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে